শিরোনাম: রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচারে বাংলাদেশ সব ধরনের সহযোগিতা করবে       স্বাধীনতা-বিরোধীদের নামে থাকা ফলক বদলের নির্দেশ       বিক্ষোভে উত্তাল হংকং, ছাত্র-পুলিশ ব্যাপক সংঘর্ষ       ‘গণতন্ত্রকে হত্যার জন্য খালেদা জিয়াকে কারাগারে রাখা হয়েছে’       পদত্যাগ করলেন কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী       দেশে জঙ্গী, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূল হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী       মুসলিমরাই ফিলিস্তিনকে মুক্ত করবে : হাসান রুহানি       শুদ্ধি অভিযান বিষয়ে নীরবতা চক্রান্তের আলামত : ইনু       লাদেন ও জাওয়াহিরি ছিল পাকিস্তানের হিরো : পারভেজ মোশাররফ        ৭ কোটি ছয় লাখ টাকার আয়কর দিলেন অর্থমন্ত্রী      
দেশের ইন্স্যুরেন্স বিদেশে করা যাবে না : অর্থমন্ত্রী
কাগজ ডেস্ক :
Published : Wednesday, 11 September, 2019 at 9:47 PM
দেশের ইন্স্যুরেন্স বিদেশে করা যাবে না : অর্থমন্ত্রীপ্রিমিয়াম দিতে না পারা বা ঘাটতি পূরণ করার সক্ষমতা না থাকায় এতদিন দেশের বৃহৎ প্রকল্পগুলোর ইন্স্যুরেন্স বিদেশে করা যেত। তবে এখন থেকে সব ধরনের ইন্স্যুরেন্স দেশেই করতে হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নিজ কার্যালয়ে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। এর আগে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন তাদের ২০১৮ সালের লভ্যাংশ থেকে ৫০ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে দিতে অর্থমন্ত্রীর কাছে চেক হস্তান্তর করে।
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মাতারবাড়ী পাওয়ার প্ল্যান্ট, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ইত্যাদির বীমা কভারেজ প্রদান করছে।
৫০ কোটি টাকার চেক গ্রহণ শেষে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আগে কিছু ক্ষেত্রে বলা হতো আমাদের দেশের ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো ছোট। তাদের শক্তি নেই। যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তাহলে তারা প্রিমিয়াম দিতে পারবে না বা ঘাটতি কাভার করতে পারবে না। সেজন্য এগুলোর প্রিমিয়ামটা চলে যেত বিদেশে। বিদেশ থেকে মেশিনারিজ আসত আবার প্রিমিয়ামটাও চলে যেত।’ তিনি বলেন, ‘প্রিমিয়াম হলো একধরনের প্রটেকশন। এখন থেকে এগুলো আর বিদেশে যাবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সুস্পষ্টভাবে বলছি, আমার দেশ থেকে যে ইন্স্যুরেন্স হবে, যেটা আমরা পেমেন্ট করব, সেটার প্রিমিয়ামও আমরা পাব। আমাদের প্রিমিয়াম বাইরের কেউ পাবে না। সেজন্য তাদের (সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের) রেভিনিউ (রাজস্ব) এমনিতেই বেড়ে যাবে।’
স্থানীয় যেকোনো ইন্স্যুরেন্স করতে হলে দেশের অভ্যন্তরীণ কোম্পানির মাধ্যমেই করতে হবে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়ামের টাকাটাও আগে ফরেন এক্সচেঞ্জে  যেত। আমাদের কষ্টে উপার্জিত টাকা বিদেশি এক্সচেঞ্জে  পাঠাতে হতো। এটা পৃথিবীর কোনো দেশে নেই। আমি জানি না, কারা এতদিন এগুলো চালিয়েছে।’
অর্থমন্ত্রী জানান, সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জেনারেল রিজার্ভ ৪৩৮ কোটি টাকা। ২০১৪ সালে তারা সরকারকে দিয়েছে ২৫ কোটি, ২০১৫-তে ৩০ কোটি, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে ৪০ কোটি করে এবং ২০১৮ সালে দেয়া হলো ৫০ কোটি লভ্যাংশ।
আগামী বছর থেকে লভ্যাংশ দ্বিগুণ হবে বলে আশা করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, যে এলাকাগুলো থেকে সাধারণ বীমা তাদের প্রোপার রেভিনিউ পাচ্ছিল না, এগুলোর ব্যাপারে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি এবং তারা পাবে। তাদের রেভিনিউ অনেক বেড়ে যাবে। সাধারণ বীমার রেভিনিউ বাড়লে, পাশাপাশি তাদের সেবাও বাড়বে। যারা ইন্স্যুরার, তারাও লাভবান হবে।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft