শিরোনাম: পুঠিয়া উপজেলা বেশীর ভাগ কর্মকর্তা কর্মস্থলে অনুপস্থিত       রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৪ জন       কলাপাড়ায় আ’লীগের চম্পাপুর ত্রিবার্ষিক সম্মেলন পন্ড, দু’গ্রুপে রণক্ষেত্র       ফ্লাইট এসেছে কিন্তু পেঁয়াজ আসেনি        খুলনায় সকাল থেকে বাস চলাচলের কথা থাকলেও চলছে না       ঝালকাঠিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৫ তম জন্মবাষিকি পালিত       রামেক হাসপাতালের তৃতীয় তলা ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে রোগীর আত্মহত্যা       ইরানকে নিয়ে নতুন শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র       গাছের গোড়ায় নয়, ডগাতেই ধরে মিশরে পেঁয়াজ       পেঁয়াজের ঝাঁজে বিএনপি লাফাচ্ছে : ইনু      
আটিয়া কলার যত পুষ্টিগুণ
কাগজ ডেস্ক :
Published : Wednesday, 30 October, 2019 at 6:38 AM
আটিয়া কলার যত পুষ্টিগুণসাদা আমাশয়, রক্ত আমাশয় ও পাতলা পায়খানার মহা ওষুধ হিসেবে আগের দিনে গ্রামের আটিয়া কলা খাওয়ার পরামর্শ দিতে অভিজ্ঞরা। আবার অনেকেই আটিয়া কলা ফালি করে করে কেটে পানিতে ভিজে সকাল বেলা খালি পেটে শরবত হিসেবে খাওয়ার চল ছিল,  এতে প্রসাবের জ¦ালা পোড়া সেরে যেত।সকালের নাস্তায় আটিয়া কলা দই, চিড়া ও মুড়ি কিংবা ছাতুর সঙ্গে আটিয়া কলা ভীষণ জনপ্রিয় ছিল।  এই কলা বরাবরই পথ্য হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নানা দেশীয় খাবারের সঙ্গে হারিয়ে যেতে বসেছে আটিয়া কলা বা বিচি কলা। এখন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষাবাদ হচ্ছে বিভিন্ন জাতের কলা। ধরন অনুযায়ী দেশি আটিয়া কলা মোটা, গোল, খাটো ও ভেতরে বিচি হয়। এ কলায় অনেক ভিটামিন, আয়রন ও প্রচুর প্রোটিন রয়েছে। গ্রামে এখনও প্রচলিত আছে আটিয়া কলা ও চিড়াভিজা খেলে পেটের সমস্যা সেরে যায়। নীলফামারী সদরের রামনগর ইউনিয়নের বাহালী পাড়া গ্রামের কলা ব্যবসায়ী আলী হোসেন (৬৫) বলেন, দেশি আটিয়া কলা এক সময়ের জনপ্রিয় খাবার ছিল। আটিয়া কলা ও চালের গুড়া সকালে খেলে সারাদিন আর ক্ষুধা লাগে না। জেলা শহরের শাখামাচা বাজারের কলা ব্যবসায়ী আবুল বাসার বলেন, দেশি আটিয়া কলা এখন খুবই কম পাওয়া যায়। হঠাৎ কিছুকিছু গ্রামে আটিয়া কলা পাওয়া যায়। আগেকার মানুষজন এ জাতীয় কলার চাষ করতো। এখন এ কলা চাষ একেবারেই উঠে গেছে। তবে এখনও মানুষ বা গরুর আমাশয় ও পাতলা পায়খানা হলে পথ্য (ওষুধ) হিসেবে বাজারে খুঁজে নেয়। এই কলায় আয়রন বেশি থাকায় বাজারে এর দামও বেশি। প্রচুর বিক্রিও হয়। নীলফামারী জেলা শহরের কালিবাড়ী মোড়ের শক্তি ঔষধালয় ঢাকা, নীলফামারী শাখার সত্তাধিকারী (মালিক) শ্রীদাম দাস বলেন, আটিয়া কলা মল রোধক একটি পথ্য এটি খেলে শরীরের শক্তি সঞ্চয়সহ নানা রোগের উপকার করে থাকে। বিশেষ করে আমাশয় ও পাতলা পায়খানা রোগের ওষুধ হিসেবে কাজ করে। নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আবু শফি মাহমুদ বলেন, একটি বড় মাপের কলা খেলে ১০০ ক্যালোরির বেশি শক্তি পাওয়া যায়। কলাতে রয়েছে সহজে হজমযোগ্য শর্করা। শর্করা জাতীয় খাবার পরিপাকতন্ত্রকে হজম করতে সাহায্য করে। তিনি বলেন, আটিয়া কলা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন ও স্বাভাবিক রক্ত প্রবাহ নিশ্চিত করে। এ কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে। নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আবুল কাশেম আযাদ জানান, এই জাতীয় কলার বিচি বেশি হওয়ার কারণে কেউ বাণিজ্যিকভাবে চাষ করে না। তবে গ্রামে অযতেœ আর অবহেলায় বাড়ীর আশপাশে অথবা বাঁশঝাড়ে এ কলার দুয়েকটি গাছ দেখা যায়। তিনি আরও বলেন, এটি বাণিজ্যিকভাবে চাষ হলে এ জাতীয় কলা টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে। এই কলা একটি খুব উপকারী কলা। যা বিভিন্ন রোগে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকরা পথ্য হিসেবে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft