gramerkagoj
শুক্রবার ● ১৪ জুন ২০২৪ ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
gramerkagoj
বারোবাজারে জমে উঠেছে কোরবানির পশুহাট
প্রকাশ : সোমবার, ১০ জুন , ২০২৪, ১১:১৮:০০ পিএম
জাহাঙ্গীর হোসেন, বারোবাজার (ঝিনাইদহ):
GK_2024-06-10_66673657159db.jpg

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। বাজারে বেড়েছে গরু ছাগলের ক্রেতা-বিক্রেতার সংখ্যা। এরইমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকার ও স্থানীয় ক্রেতা বিক্রেতায় মুখর ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের বারোবাজারের হাট । সমতল চারণ ভূমির প্রাকৃতিক খাদ্যে নির্ভর এখানকার দেশি জাতের মাঝারি এবং ছোট আকৃতির গরুর চাহিদা বেশি।
জেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের তথ্য মতে, জেলায় এ বছর কোরবানি উপযোগী ৩ লাখ ১৯ হাজার পশু রয়েছে। এরমধ্যে চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার। বাকি ১লাখ ৩০ হাজার পশু দেশের অনন্য এলাকার চাহিদা মেটাবে। এ বছর কালীগঞ্জ উপজেলায় ৩টি হাট রয়েছে এর মধ্য উল্লেখযোগ্য বারোবাজার পশুহাট। এসব হাটগুলো থেকে প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নেয়া হচ্ছে শত শত গরু, ছাগল। হাটগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
বারোবাজার পশুহাটে গরু কিনতে আসা যশোরের সেলিম হোসেন বলেন, হাসিলের পরিমাণ বেশি মনে হচ্ছে। এছাড়া গরুর দাম স্বাভাবিক রয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি ভালো। কোনো দালাল বা অন্য কোনো চাঁদাবাজের প্রভাব নেই। স্থানীয় খামারি গরু বিক্রেতা জানান, তিনি হাটে ৩ টি গরু নিয়ে এসেছেন। এর মধ্যে একটি গরুও বিক্রি করতে পারেননি। কোরবানির আগ মুহূর্তে বাইর থেকে গরু আসলে স্থানীয় খামারিরা বিপদে পড়ে যায়। এছাড়া কোরবানির এখনো কিছু সময় বাকি থাকায় ক্রেতারা দর কষাকষি করছেন। সামনের হাটের দিনগুলোতে হয়তো বিক্রি হয়ে যাবে।
বারোবাজার হাটের ইজারাদার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, বারোবাজার কোরবানির পশু বিক্রি মোটামুটি ভালো। সরকারি সিডিউল থেকে কম হাসিল নিচ্ছি। তাছাড়া সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যরা রয়েছেন।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) আবু আজিফ বলেন, হাটে পশু বিক্রি করে
বিক্রেতারা যেনো টাকা নিয়ে নিরাপদে বাড়ি যেতে পারেন, পুলিশ সে বিষয়ে সজাগ
রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত
করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও খবর

🔝