gramerkagoj
সোমবার ● ২৭ মে ২০২৪ ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
gramerkagoj

❒ জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ

নানা প্রতিকূলতা শেষে ঘরে ফিরলেন ২৩ নাবিক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৪ মে , ২০২৪, ১০:৩২:০০ পিএম , আপডেট : রবিবার, ২৬ মে , ২০২৪, ১০:১০:৩৪ পিএম
ঢাকা অফিস:
GK_2024-05-14_664392ca541fa.JPG

সোমালিয়ান জলদস্যুদের কাছ থেকে মুক্ত বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ’র ২৩ নাবিক অবশেষে স্বজনদের কাছে ফিরেছেন। তারা দীর্ঘ একমাস পর নানা প্রতিকূলতা শেষে দেশে পৌঁছেছেন। সোমবার (১৩ মে) সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে জাহাজটি কুতুবদিয়ায় নোঙর করে। এরপর মঙ্গলবার (১৪ মে) বিকেলে তাদের একটি লাইটার জাহাজে করে কেএসআরএম লাইটার জেটি সদরঘাটে আনা হয়। এখান থেকে তারা নিজ নিজ বাড়ি যান।
নাবিকদের বরণ করে নিতে বন্দর জেটিতে বিকেলে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল। এসময় নাবিকদের স্বজন ও কেএসআরএম গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়ার ৩৩ দিনের মাথায় ১৩ এপ্রিল দিবাগত রাতে জাহাজটি মুক্ত হয়। এরপর জাহাজটি প্রথমে আমিরাতের আল-হামরিয়া বন্দরে পৌঁছায়। সেখানে পণ্য খালাস শেষে আরেকটি বন্দর থেকে চুনাপাথর বোঝাই করে চট্টগ্রামের পথে রওনা হয়েছিলো জাহাজটি। এ হিসেবে আমিরাত থেকে ১৩ দিনের মাথায় জাহাজটি বাংলাদেশের জলসীমায় এসে পৌঁছায়।
কেএসআরএম গ্রুপ জানায়, এমভি আবদুল্লাহ জাহাজে ৫৬ হাজার টন চুনাপাথর রয়েছে। এতে প্রায় ১৯০ মিটার লম্বা জাহাজটির ড্রাফট (জাহাজের পানির নিচের অংশের গভীরতার পরিমাপ) বেড়ে হয়েছে সাড়ে ১২ মিটার। জাহাজটির ড্রাফট বেশি থাকায় কুতুবদিয়ায় প্রথমে কিছু পরিমাণ পণ্য খালাস করে। এরপর পতেঙ্গার কাছাকাছি বঙ্গোপসাগরে বন্দর জলসীমায় আনা হয়। সেখানে বাকি পণ্য খালাস করা হবে। এ জন্য দেশে পৌঁছার পরও নাবিকদের ঘরে ফিরতে একটু সময় লাগেছে।
২০১০ সালের ডিসেম্বরে আরব সাগরে সোমালি জলদস্যুদের কবলে পড়েছিলো বাংলাদেশি জাহাজ জাহান মণি। ওই সময় জাহাজের ২৫ নাবিক এবং প্রধান প্রকৌশলীর স্ত্রীকে জিম্মি করা হয়। নানাভাবে চেষ্টার পর ১০০ দিনের চেষ্টায় জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্তি পান তারা।

আরও খবর

🔝