gramerkagoj
শুক্রবার ● ২১ জুন ২০২৪ ৬ আষাঢ় ১৪৩১
gramerkagoj
যে ৫ নদীতে নামলেই মৃত্যু
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ নভেম্বর , ২০২৩, ১১:৩৩:০০ এ এম , আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২০ জুন , ২০২৪, ০৮:৫৪:৫৪ পিএম
কাগজ ডেস্ক:
GK_2023-11-13_6551b22500b5f.jpg

নদীতে গোসল করতে নামলেই নিশ্চিত মৃত্যু। এ তো কল্পনাও করা যায় না। নদীতে নেমে গোসল করার মজাটাই আলাদা। কিন্তু নদীতে নামলেই যদি মৃত্যু হয় তবে সে কেমন নদী! পৃথিবীতে এমন কিছু ভয়ঙ্কর নদী আছে যেখানে নামার কথা আসলে কল্পনাও করতে পারবেন না। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে সেই নদীগুলি এক একটি মৃত্যুর ফাঁদ।
নদীতে নামা তো দূরে থাক, কাছে গেলেই নাকি মৃত্যুও হতে পারে। এতে আছে ভয়ংকর সব জলজ প্রাণী। আবার ফুটন্ত নদীও রয়েছে বিশ্বে। সোনা-রূপা-তামার খনি দিয়ে বয়ে চলা নদীর জল মারাত্মক বিষাক্ত।
এমনই ৫ নদীগুলো সম্পর্কে জেনে নিন-
লাল নদী
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লাল নদী দেখতে যতটাই সুন্দর, ততটাই বিপজ্জনক। যখন তখন গতিপথ বদলে যায় এই নদীর। ফলে আশপাশের গোটা এলাকা ভাসিয়ে নিয়ে যায় রেড রিভার। এছাড়া এই নদীতে রয়েছে বহু বিপজ্জনক জলজ প্রাণী।
নীল নদ
মিশরের নীল নদ বিশ্বের সবচেয়ে বড় নদী। আফ্রিকার মোট ১১টি দেশের উপর দিয়ে বয়ে গিয়ে যা পড়েছে ভূমধ্যসাগরে। এই নদীতে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় কুমির। যার আক্রমণে প্রতি বছর গড়ে অন্তত ২০০ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া নদীতে রয়েছে একাধিক শিকারি প্রাণী। নদী তীরবর্তী এলাকায় রয়েছে বিষাক্ত সাপ ও মশার উপদ্রব।
লা বোম্বা
পেরুর লা বোম্বা নদীর জল আবার ফুটন্ত। সারাবছর এর তাপমাত্রা থাকা ৪৫ থেকে ১০০ ডিগ্রি। এটি প্রকৃতপক্ষে আমাজন নদীর একটি উপনদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৬.৪ কিলোমিটার। উষ্ণ প্রস্রবণ থেকে নদীটির উৎপত্তি হওয়ায় নদীর জল সব সময় গরম থাকে। মাঝে মধ্য়েই নদীর উপর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। হটবাথ নেওয়ার কথা মাথায় এলে এখনই তা ঝেড়ে ফেলুন। লা বোম্বার পানিতে হাত দেওয়ার মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
রিও টিন্টো
স্পেনের রিও টিন্টো নদী একাধিক সোনা, রূপা ও তামার খনির মধ্য়ে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। সেই কারণে নদীটির পানির রং রক্তের মতো লাল। এই নদীর জল মারাত্মক বিষাক্ত। হাতে গোটা কয়েকটি প্রাণী সেই পানি পান করে বেঁচে থাকতে পারে। এছাড়াও তালিকায় রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি ও চিনের পীত নদী।
কঙ্গো
আফ্রিকার কঙ্গো নদী বিশ্বের সবচেয়ে গভীরতম নদী। কিছু কিছু জায়গায় এর গভীরতা ৭২০ ফুট। সেখানে নদীর তলদেশে পৌঁছায় না সূর্যালোক। নদীটির উপরের অংশ ঘুরে বেড়ায় বিভিন্ন প্রজাতির বিষাক্ত সাপ। আবার নদীটির নীচের অংশ রয়েছে ডুবন্ত পাহাড়, খাদ ও ঝরনা। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

আরও খবর

🔝