আজ বৃহস্পতিবার, ২ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৭ আগস্ট ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম: মৎস্য সেক্টরে ৩৪ কোটি টাকার উন্নয়ন        যশোর কালেক্টরেট চত্বরে পড়ে থাকা আরো ৫১টি গাড়ীর নিলাম       পাউডার মিল্ক দিয়ে দই ও খাবার সোডা দিয়ে রসগোল্লা তৈরি গনেশ সুইটসকে জরিমানা       দেশের সার্বিক উন্নয়ন চাইলে আ’লীগ সরকারের কোনো বিকল্প নেই       বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙ্গালীর স্বপ্নদ্রষ্টা : এমপি মনির       বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে : এমপি স্বপন        ২০২১ সালের মধ্যে দেশের কোথাও বিদ্যুতবিহীন থাকবে না : আফিল        কেশবপুরে কাউন্সিলরের ছেলের হাতে এ মাসে ছাত্রলীগ নেতাসহ আহত ৯        আজ ব্যর্থ হলে এ বছর আর এইচএসসিতে ভর্তি হওয়া যাবে না       আজ ৩৭ গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বের সাথে ইসির সংলাপ       
শোকের মাস আগস্ট
কাগজ সংবাদ :
Published : Sunday, 13 August, 2017 at 12:31 AM
শোকের মাস আগস্টআজ রোববার ২০১৭। শোকাবহ আগষ্ট মাসের ত্রায়োদশ তম দিন আজ। অতি কর”ন স্মৃতি বিজড়িত এ মাসে বাংলাদেশের ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালীর সকল আন্দোলনেই নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলনের স্থপতি ছিলেন তিনি। এই ৬ দফাকে কেন্দ্র করেই বাঙালীর স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা এবং তা পরিণতি লাভ করে। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙ্গালির অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে। কিন্তু তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর হিসাব ছিল ভিন্ন রকমের। তারা বাঙ্গালিদের কখনই তাদের প্রাপ্য অধিকার দিতে চায়নি।
পাকিস্তানের দুই অংশের যে রাজস্ব আয় হতো তার শতকরা ৮০ ভাগ ব্যয় হতো পশ্চিম পাকিস্তানের উন্নয়নের কাজে। অথচ জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রাপ্য ছিল অর্ধেকেরও বেশি। বাজেটের সিংহভাগ ব্যয় হতো প্রতিরক্ষা খাতে। কিন্তু সেখানে বাঙালী অফিসার ও সৈনিকের সংখ্যা ছিল খুবই নগণ্য। দোর্দ- প্রতাপশালী সামরিক শাসক জেনারেল আইয়ুব খানের সাথে গোলটেবিল বৈঠকে বঙ্গবন্ধু এই শোষণের বির”দ্ধে গর্জে ওঠেন। ১৯৬৬ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত ওই রাউন্ড টেবিল কনফারেন্সে ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন তিনি। বঙ্গবন্ধু লিখিতভাবে এই ৬ দফা অতিগোপনে নিজের পকেটে রেখেছিলেন। তিনি কাউকে সেটি জানতেও দেননি।
শোষিত ও অধিকার বঞ্চিত বাঙালী জাতির জন্য যে নেতা সারা জীবন এত ত্যাগ স্বীকার করলেন, উপহার দিলেন একটি স্বাধীন ভূখন্ড, একটি স্বাধীন পতাকা ও একটি জাতীয় সঙ্গীত তাকেই জারজ সন্তানরা স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করতে দিল না। এমনকি এই মহান ব্যক্তিটিকে নৃশংসভাবে হত্যার পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন পর্যন্ত করা হলো না। তাই এটা গোঠা বাঙ্গালির জন্যই অতি দুঃখজনক এক অধ্যায়।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft