
পবিত্র রমজান মাস শেষ হতে না হতেই আগামীকাল শনিবার (২১ মার্চ) দেশে উদযাপিত হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২৬। তবে আনন্দের ছোঁয়ায় ছাপিয়ে গেছে আবহাওয়া শঙ্কা। দেশের বিভিন্ন বিভাগে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়ের প্রবল শঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঈদের দিন দমকা বা ঝড়ো হাওয়া এবং বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, ঈদের দিন এবং এর আগ-পরে দেশে ভারী ঝড়-বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ঈদের আগের দিন থেকে পরবর্তী তিন দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দফায় দফায় ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে ঈদের দিন আবহাওয়া সবচেয়ে বেশি বৈরী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে উন্মুক্ত স্থানে ঈদের জামাত আয়োজন বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদের আগের রাতেই দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে একটি শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড় প্রবেশ করতে পারে।
সংস্থাটি বিশেষভাবে সতর্ক করে জানিয়েছে, ঈদের দিন সকালে ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক এলাকায় ঝড়-বৃষ্টির উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে এই ঝড় রংপুর ও রাজশাহী হয়ে অন্যান্য বিভাগে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমনকি দুপুরের মধ্যে এটি চট্টগ্রাম বিভাগেও পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
বিডব্লিউওটি আরও জানিয়েছে, ঈদের দিন বিকেলে সারা দেশে দ্বিতীয় দফায় আরেক দফা ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। ফলে দিনভর আবহাওয়া প্রতিকূল থাকতে পারে, যা ঘরমুখো ও উৎসবপ্রিয় মানুষের চলাচলে ব্যাঘাত ঘটাবে।
তবে স্বস্তির খবর হলো, ঈদের পরের দিন থেকে আবহাওয়ার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। ভোরের দিকে উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উৎসবের এই সময়ে আকস্মিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সংশ্লিষ্টদের আগাম প্রস্তুতি রাখার পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
মন্তব্য করুন