
গোপালগঞ্জে চলতি শীত মৌসুমে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। জেলা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার সকাল ৬টায় তাপমাত্রা মাত্র ৭.৫° সেলসিয়াস, যা একই সময়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারণে জেলার স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। সড়ক ও মহাসড়কে দিনেও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। সূর্য ওঠার দেরি এবং কুয়াশার কারণে শীতের প্রকোপ আরও বেড়েছে।
প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন শিশু ও বয়স্করা। শীতের কারণে বোরো ধান রোপণের কাজও বিলম্বিত হচ্ছে, যা নিয়ে কৃষকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে। এছাড়া ছিন্নমূল, দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষের কষ্টও বেড়েছে। ঠাণ্ডা এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বিভিন্ন বয়সের মানুষ, বিশেষ করে বয়স্করা।
জেলা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গোপালগঞ্জের ওপর দিয়ে বর্তমানে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আগামীকালও অব্যাহত থাকতে পারে। তাই তাপমাত্রা আজকের মতোই সর্বনিম্নের কাছাকাছি থাকতে পারে।
গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এখনো শিশুদের মধ্যে ঠাণ্ডাজনিত রোগের সংখ্যা খুব বেশি নয়। তবে শীত আরও কয়েকদিন স্থায়ী হলে শিশুদের মধ্যে এই ধরনের অসুস্থতা বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন শিশুদের গরম কাপড় পরিয়ে রাখার এবং ঠাণ্ডা থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য।
মন্তব্য করুন