
কুটিকালতে এট্টু মিস্টির দিকি ঝোক ছিলো। আহারে সেই আগের দিনির মিস্টির কতা মনে পড়লিই জিবেয় পানি আসে। তকন এট্টা খালি মনে হইতো আরাট্টা খায়। মিস্টির সেই স্বাদ একন দিন দিন ভাটির দিকি। সেই ময়রাও একন নেই আর খাটি দুধির ছানা বদলে একন সব সুজির দানা। কয়দিন আগে একজাগাত্তে আশা সুকি কয়ডা কালোজাম মিস্টি কিনিলাম। বাড়ি নিয়ে যাইয়ে খাতি যাইয়ে দেকি কালোজামের মদ্দি গুটা গুটা কি যেন ভরা। ইরাম কান্ড তো জম্মেও কোন দিন দেকিনি। পরদিন সেই দুকানে যাইয়ে মিস্টির কতা পাড়লাম। কলাম বাপুরে কিনতি আইলাম মিস্টি তার মদ্দি দানা পানা কি সব পুইরে দিচাও। আমার কতা শুইনে দুকানদার কলে, চাচা তুমারে তো মদ্দা মিস্টি দিচি, বুজদি পারো নি। আমি তো শুইনে থ’, মিস্টির মদ্দি আবার মেচি মদ্দা কনতে আইসলো। আমি তারে কলাম কি কতি চাস, এট্টু ঢক কইরে ক’দিনি। দুকানদার কলে, যে মিস্টির মদ্দি বিচি থাকে সিডা মদ্দা মিস্টি। আমি তারে আর ঘাটালাম না, কি কতি কি কবানে আবার কোন গুপ্ত কতা বাইরোয় পড়ে সেই ভয়তি। তেবে কাল এক বড় দুকানতে মিস্টি কিনে আবার হ্যারেজ খাইয়ে গিলাম। মিস্টির দুকানের বাহারি ঠুঙা দেইকে বুকোয় পড়লাম। এক কেজি মিস্টি নেলে তিনশ আশি টাকা। তাও নাই কুড়ি টাকা কেজিতে কম নেচে। বাড়ি নিয়ে যাইয়ে মিস্টি খাতি যাইয়ে কিরাম এট্টা সন্দো মনে হইলো। মনে হচ্চে ওজনে এট্টু কম কম। মনের মদ্দি খটকা লাইগলো। বাড়ির পাশে মুদি দুকানে নিয়ে গিলাম, তারা ডিজিটাল পাল্লায় মাইপে দেলে। কাটায় কাটায় এক কেজি। আমার মনের সন্দো বুজদি পাইরে মুদি দুকানদার ভাইপো কলে, চাচা তুমি যিডা আন্দাজ করিচো সিডা সটিক। আমি কলাম চোকির সুমকিতো মাপলি এক কেজিই হলো! ভাইপো কলে বাড়ি যাইয়ে মিস্টি গামলা বাটিতি নাাময়ে খালি ঠুঙাডা নিয়ে আইসো, সব হেজেমানে কইরে দিচ্চি। মিস্টি রাইকে খালি ঠুঙা জুড়া পলিথিনসহ মাইপে পালাম পিরায় দুইশ’ গিরাম। পরে ক্যালকুলেটার টিপে দেকলাম ৩৮০ টাকা কেজি হলি গিরাম পড়ে ৩৮ পয়সা। সেই হিসেবে ২০০ গিরামের দাম হচ্চে ৭৬ টাকা। এক কেজি মিস্টি কিনতি যাইয়ে যদি ৭৬ টাকা দিয়ে ঠুঙা কিনতি হয় তালি যাবডা কনে কওদিনি বাপু ! ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন