
মাজেমদ্দি কিচু কিচু জিনুস প্যাটের মদ্দি বুগলা মাইরে ওটে। বুজ পাইনে কি দে’ কি। বাজারে জিনুসির দাম বাড়বে তার হাজারডা কারন গজায় যাবে। বাড়ানো কুমানো, দাম ঠিক করা সব করে ব্যবসায়ীরা। কারন হিসেবে দেকায় তারা টাকা খাটায়ে কিনে আইনে বেইচতেচে তাই যকন যিরাম দামে কিনা তকন সিরাম দামে বেচা। এইডে তাইগের ঠোটের আগায় ঝুইলে থাকে। এর সাতে আচে বালিশ চালাচালির মতো ঠেলাঠেলি। খুচরোয়ালারা দেবে পাইকেরিয়ালাগের দোষ। পাইকেরিয়ালারা দেবে মুকামের দোষ, মুকাময়ালারা দেবে গুডাউনয়ালাগের দোষ, গুডাউনয়ালারা দেবে জাহাজয়ালাগের দোষ, জাহাজয়ালারা দেবে বিদেশিগের দোষ। ইরাম দোষ দিয়া দিয়া চলতিই থাকপে মাঝখান দিয়ে সবার গাটি জব্দ হবে খসপে খালি আমাগের মতো যারা শেষ মাতায় অল্প পুজি দুকানে ঘন খ্যাপ দিই। এই পেত্তেক জাগায় কোন জিনুসির দাম কত ধরবে সিডা তারায় তারায় ঠিক কইরে ফেলে। কোনটোয় কারো হাত নেই। আবার কেউ যদি গাড়ি বানায়, বাড়ি বানায়, জামা কাপুড় বানায় বেচার সুমায় তারা সিডা গড়তি কত খচ্চা পইড়েচে সিডা এক জাগায় কইরে তার সাতে আশপাশের খচ্চা আর এট্টু লাভ ধইরে দাম ঠিক কইরে বাজারে ছাড়ে। স্যানে কাস্টমারের কিচু করার নেই। পটলি নেও না পটলি হারায় যাও। কিন্তুক এট্টা জিনুস হইয়ে ধইরে খুব খিয়াল কইরে দেকি বাজারে যকন চাষারা কোন জিনুস তোলে সিডাতে চাষার মতের কোন দাম নেই। চাষাগের জন্যি তকন উল্টো নিয়ম। স্যানেও চাষার জিনুস নিয়ন্ত্রন করে ব্যবসায়ীরা। চাষার জিনুসির ইচ্চেমত দাম ধইরে কিনে নেয় ব্যবসায়ীরা। চাষ,বীজ, সার, তেল, ওষুদ পানিতি কত খচ্চা হইলো কেউ ভাবে না তা। হরহামেশায় ইরাম হইয়ে যাচ্চে অতস্ত এ নিয়ে কারো কোন উইচাই নেই। অইন্য সবায় যেকেনে তার মালের দাম সেই ঠিক করে তালি চাষার জিনুসির দাম কেন চাষারা ঠিক করবে না? ব্যবসায়ীগের কোন কিচু হলি তাইগের নিয়ে মুন্ত্রীত্তে শুরু কইরে ডিসি সাহেবরা পন্তিক ডাইকে নিয়ে আইসে মিটিং করে, এসির বাতাসের সাতে মন্ডা মিঠেই খাওয়ায় কিন্তুক চাষার কিচু হলি তার বেলার এই সবের কিচ্চু হয় না, ফ্যারাডা কি ! হাওড়ে ডুবলো চাষার স্বপন তা নিয়েই কারো সিরাম উইচাই দেকলাম না। আলাম কনে, মলাম যে ! ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন