
এক লোক গেচে চাকরির ইন্টার ভ্যু দিতি। সাতে কইরে নিয়ে গেচে ফাইল। যার মদ্দি রইয়েচে তার জীবন বৃত্তান্ত, পড়ালিকার পাশের সাট্টিফেট, ভুটার কাড, নাগরিক, চরিত্র সনদ ইডা সিডা আরো দরকারি কাগজ পত্তর। চাকরি যারা দেবে তারা এক খোপে বইসে আছে। যার চাকরি পাওয়ার আশায় আইয়েচে তারা সেই খোপের সুমকি বইসে আচে। নাম ধইরে ডাক আসলি সালাম কালাম দিয়ে ঘরে ঢোকচে। নিয়োগ কত্তারা যে কোচ্চেন ধচ্চে তার উত্তর বাত্তার দিয়ে এট্টু পর পর বাইরোয় আইসতেচে। এর মদ্দি এক বিটা সাইজে গুইজে আইয়েচে ইন্টা ভ্যু দিতি। যকন তার নাম ধইরে ডাক দেচে তকন সে খোপের মদ্দি গেচে। তার কাগজ পত্তর দেকতি চাইয়ে সুমকি বসতি কইয়েচে। নাম ধাম ইডা উডা শুনার মদ্দি একজন তার কাগজ পত্তর চেকচাক কইত্তেচে। হটাস এক জাগায় আইসে নিয়োগকত্তাগের মদ্দি যে কাগজ পত্তর চেক কত্তিলো সে চোক আকাটা মাইরে পইড়েচে। তাই দেইকে পাশের আর যে দু’জন ছিলো তারা বিটাডার দিকি তাগায় পইড়েচে। ওরা ভাইবেচে চাকরি চাতি যে বিটা আইয়েচে সে মনে হয় ভুয়ো কাগজ পত্তর নিয়ে আইসলো কিনা! নিয়োগকত্তারা সন্দোর চোকি তাগাতিই চাকরি আশায় আসা বিটাডা কলে, স্যার কোন সমিস্যা? যে বিটা কাগজ দেকতিলো সে কলে, তুমার সাট্টিফেট ঠিক আছে কিন্তুক তুমার জীবন বৃত্তান্তডা দেইকে ধনোমনো খাইয়ে গেলাম। তকন স¹লি জানতি চালে জীবন বৃত্তান্তই কি ইরাম আচে যে নিয়োগকত্তাগের মদ্দি ঝানু মালও হ্যারেজ খাইয়ে গেলো! তকন কাগজ চেক করায়ালা চাকির প্রাত্তীর উদ্দেশ্য কলে, তুমি জীবন বৃত্তান্তই লিকিচাও বয়েস ৩০, আর অভিজ্ঞতা ৩৫, ফ্যারাডা কি ! বয়েসের চাইতি অভিজ্ঞতা দেড়ি হইলো কি কইরে? চাকরি চাতি আসা বিটাডা নিকচোয় কলে, স্যার চাকরি সাতে সাতে ওভার টাইম খাটিচি, তাই বয়েসের চাইতি অভিজ্ঞতা বেশি হইয়ে গেচে। গল্পডা হালি কইরে মনে যাচ্চে আশপাশের নানান ঘটনায়। একন চারিদিকি পন্ডিতির ছড়াছাড়ি। বয়েস কার কতো সিডা বিষয় না। কতা কওয়ার ইস্টাইল দেকলি মনে হবে তাইগের হ্যাতো বচরের অভিজ্ঞতা যা বয়েসের চাইতে বেশি হইয়ে যাচ্চে। কি সব্বোরাশে কতা কওদিনি বাপু ! আলাম কনে, মলাম যে! ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন