
কুরবানীর হাট বসলি কার কোন পোস্তুতি থাকে কতি পারা না গেলিও জাল নোটের কায় কারবার যারা করে তাইগের ঠিকই পোস্তুতি থাকে। তারা নিরিক কইরে মাটে ওলে। ঠিকই তারা তাইগের কাজ চাপনিতি সাইরে বাইরোয় যাওয়ার ধান্দায় থাকে। স¹লি আশা কইরে থাকে যদি পোশাসন কড়া হয় তালি হয়তো ইডা থমথমা খাতি পারে। তেবে শুদু পোশাসনের আশায় তাগায় না থাইকে যদি এট্টু চায় চালাক হওয়া যায় তালি জাল নোট হাতে নগদ শিনাক্ত করা সম্ভব। ১০০, ৫০০ আর ১০০০ টাকার নোট বেশি জাল হয়। টাকায় থাকা নিরাপত্তা সুতো, রং বদল কালি, খসখসে ছাপা, জল ছাপ এইগুলোর দিকি এট্টু নজর দিলি জাল নোট ঝনাত খচাত ধরা যায়। সব ধরনের নোটের সুমকি ও পেছন দুদিকির ডিজাইন, মাঝখানের লিকা, নোটের মূল্যমান ও ৭টা সুমান্তরাল সরল রেখা উচো নিচে কইরে ছাপানো থাকে। ফলে হাত দিলি এট্টু খসখসে মনে হয়। নোটের ডান দিকি ১০০ টাকার নোটে তিনডে, ৫০০ টাকায় চারডে আর এক হাজার টাকায় পাচটা ছোট গোল ছাপ আছে যা হাত দিলি উচু নিচে লাগে। এই সব জালনোটে করা করা সম্ভব না। জাল নোটের জলছাপ অস্পষ্ট ও কুমা মানের হয়। আসল নোটে বাঘের কাল্লা আর বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগিরাম পস্ট জলছাপ থাকে। যা ভালো করে খিয়াল কল্লি আলোর উল্টো দিকিও দেকা যায়। সব নোটেই বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো লাগানো নিরাপত্তা সুতো থাকে। নোটের মূল্যমান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো নিরাপত্তা সুতার চারডে জাগায় ছাপা থাকে। এ নিরাপত্তা সুতো অনেক জাব্দা থাকে যা নোটের কাগজের সাতে ইরাম কইরে সাটানো থাকে যা নখ দিয়ে খুইচে বা মুচড়ায়ে কোনোভাবেই উটোনো সম্ভব না। নকল নোটে ইরাম কইরে সুতো সেট কত্তি পারেনা। নোটের উপরের ডানদিতির কুনায় ইংরেজিতি সংখ্যায় লিকা নোটের মূল্যমান রং বদলানো কালিতি ছাপা হয়। নোট নড়াচড়া কল্লি লিকাডা সোনালি রঙেত্তে সবুজ রঙ দেকায়। একইভাবে ৫০০ লিকা লালচেত্তে সবুজ বরন দেকায়। অন্যদিকি জাল নোটের রং চকচক কল্লিও তা বদলায় না। তাই নোট লেনদেনের সুমায় নিজ গরজে এট্টু চোক কান খুলা রাকলি এই খাইন বাদার হাতেত্তে বাচা সুম্ভব। ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন