
এক সুমায় ইশকুলি কমবেশি পেত্তেকদিন খেলাধুলো হইতো। জাতীয় দিবস গুলোতে খেলাধুলো হইতো। আর বছরে বাষষিক খেলাধুলো পোতিযোগিতা হইতো সেইরাম আনজাম কইরে। একন এই সব ছেলেপিলের কাচে কলি বিশে^সই কত্তি চাবে না। ফি বচর সেশন চাজ্জের নামে বচরের শুরুতি ছালে ছুতোয় বহুত টাকা গাজ্জিয়ানগের কাচতে নিয়া হলিও যে খাতের কতা কওয়া হয় তার বেশির ভাগই করা হয়না। এরমদ্দি খেলাধুলোও আচে। সেদিন এক মাইস্টেরের সাতে কতা হচ্চিল এই নিয়ে। তিনি কলেন একদিন কিলাসে তিনি ছাত্তরগের কলেন কিডা কিডা খেলাধুলো করিস হাত তোল, কেউ হাত তুইল্লো না। খালি একজন ছাড়া। তার নাম মন্টু। কোচ্চেন কইরে বিয়াকুপ হওয়ার হাতেত্তে বাচানোর জন্যি মন্টুরে ডাইকে স¹লির সুমকি নিয়ে আসলাম। তারে দাড়ান করায়ে কলাম, দ্যাখ এই মন্টুরে। তুরা কেউ খেলাধুলো করিস নে। অতস্ত মন্টু কত ভালো। সে খেলাধুলো করে। খেলাধুলো কল্লি শরীল মন দুডোই ভালো থাকে। তা বাবা মন্টু তুই দিনির কট্টুস সুমায় খেলিস ক’দিনি। মন্টু কলে স্যার, মুবালি যতক্কন চাজ থাকে ততক্কন খেলি। মন্টুর উত্তর শুইনে বুকোয় পড়লাম। মাইস্টের সাহেব মনে দুক্কু নিয়ে কলেন, একন এট্টু এট্টু গুড়ুলে ছিলেপিলে চোকি চশমা উইটে গেচে। ইরা বেশির ভাগই দূরির জিনুস দেকতি পায়না। আমাগের সুমায় বুড়ো মানুস ছাড়া কারো চোকি চশমা উইটতো না। চোকি চশমা দিয়া মানে বুড়ো বিলে স¹লি তাইগের খেপাতো। আর একন এট্টু এট্টু ছিলেপিলের চোকি হাইতের পাওয়ারের চশমা। করোনার সুমায় ইশকুল বন্দ,বাইরি বেড়ানো বন্দ, খেলাধুলো বন্ধ থাকায় শিশুগের টাচ ফোনেত্তে শুরু কইরে নানান যন্তরে আসক্তি অনেক বাইড়ে গেছে। খেলা, অনলাইন কিলাস, পড়া দেকার উসলোতে ছেলেপিলের মুবাল ঘুটা সেইরাম বাইড়েচে। সাতে গেম,ফেসবুক, টিকটকে আরো ম্যাসাকার অবস্তা। তার সাতে মাছ গোস্ত শাক সবজি ফলমুল খাওয়ার বদলে ফাসফুড চিপসির মতো হাবাজুবা খাইয়ে আরো দূরায়েচে এই সমিস্যা। যাগের বাড়ি ছেলেপিলে আচে তারা জানেন একন তাইগের খাওয়ানো কতডা কস্টের কাজ। মিজাজ খিটখিটে হইয়ে থাকে ছেলেপিলের কোন কতা কওয়ার জো নেই একন। এই সব নাই ওই বাইরির খাওয়ার পোতিক্রিয়া। ঘরেত্তে বাইরি খাওয়ার ঝোক মানসির হররোজ বাড়চে। ফ্যাসান মাত্তি যাইয়ে তাতে যে কি পরিমান ক্ষেতির মদ্দি সব যাচ্চে তা তাইগের বুজোবে কিডা। আলাম কনে, মলাম যে ! ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন