
মানুস যারে গুনায় ধরে না তার কাচতেও নাই শিক্কের বহুত কিছু থাকে। যিরাম স্যান্ডেল। তামান দুইনের মদ্দি সান্ডেলই হচ্চে ইরাম জোড় এট্টা হারালি আরাট্টা অচল। সেইরাম দুইনের মদ্দি কিচু কিচু মানুস থাকে যারে লোকে মানিকজোড় কইয়ে ডাকে। সারেদিন একসাতে থাকা, ঘুরা ফিরা, খায় দায় ঘুম সব করা সম্ভব। কিন্তুক এক সাতে মরাও কি যা তা কতা! সিনেমায় দেখা যায় নায়ক নায়কার মদ্দি একজন মল্লি আরাকজন নিজির জান নিজিই খ্যায় কইরে দেয়। ইরাম মরার কতা কচ্চি নে। একজন মইরে গেল সেই শোকে আরাকজনও মইরে যাওয়া বিরল ঘটনার মদ্দি পড়ে। যা হরহামেশা ঘটেনা। যিরামডা ঘইটেচে চাদপুর জিলার ফরিদগঞ্জ পৌরএলেকায়। একবন্দুর জন্যি গোর খুড়তি যাইয়ে সেই গোরের মদ্দি আরাক বন্দু শেষ নিশে^স ত্যাগ কইরেচেন। এট্টা কবর খুচতি যাইয়ে দুডো কবর খুচতি হইয়েচে। এলেকার আবুল হাশেম আর বাচ্চু পাটোয়ারী ছিলেন দুইজন বন্দু। বয়েস একজনের ৯০ আরাক জনের ৮৫। হাশেম চা পিশায় কাটমিস্তিরি আর বাচ্চু চা মসজিদির মুয়াজ্জেম ছিলেন। পিশার বাইরি দুইজনের মদ্দি ছিল সেইরাম মিল। মানসির কোন বিপদাপদ হলি তারা আইগোয় যাতেন। বিশেষ কইরে এলেকায় কেউ মইরে গেলি দুই বন্দু মিলে গোর খোড়তেন। রোববার রাত্তিরি দুইজন চা খাইয়ে বাড়ি গিলেন। সোমাবর ব্যানবেলায় একসাতে দুইজন মসজিদি ফজরের নামাজ পইড়েচেন। বেলা এট্টু বাড়ার সাতে সাতে খবর চাউর হয় বাচ্চু চা আর দুইনেয় নেয়। এই খবর শুইনে হাশেম চা আকাটা মাইরে গিলেন। যেহেতু কেউ মল্লি গোর খুচা তাইগের নিশা তাই কষ্ট বুকি চাইপে হাশেম চা দিলেন দোস্তোর জন্যি গোর খুচতি। খুচা পিরায় শেষের দিকি এরমদ্দি হটাস হাশেম চা গোরের মদ্দি শুইয়ে পড়েন। পেত্তমে আশপাশে যারা ছিল তারা ভাবিলেন চাচা মনে হয় মাতা ঘুইরে পইড়ে গেচেন। পরে হাতাসিং কইরে ওপরে তুইলে দেকে বন্দুর শোকে তিনিও পরপারে পাড়ি জমায়েচেন। এই খবর রটলি সবার মদ্দি শোকের মাতম ওটে। এই জামেনায় য্যানে এট্টু স্বাত্তে ঘা লাগলিই সম্পক্ক কাইজে যায় স্যানে জীবনের এতগুলো বচর একসাতে কাটায়ে একসাতে চইলে যাওয়া আমাগের জন্যি এট্টা শিক্কে। এরই নাম বন্দুত্ব, এর নাম আত্মার সাতে আত্মার টান। আল্লাহ দুইজনারই ভেস্ত নসিব করবেন। ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন