
একন হরহামেশায় সনদে মানসির নামের বানান ভুল হচ্চে। সিডা জম্মনিবন্ধন হোক, ভুটার কাড হোক বা অন্য কোন সনদ। হাতে লিকা বাদ দিয়ে কম্পুটার আইলো। মানুস ভাবিলো যাক বাচা গেল। কিন্তুক একন এই কম্পুটারে ভুল বানানের যন্তরনায় কাহিল মানুসজন। এমনিতি একবার কোন সাট্টিফেট নিতি গেলি জান কয়লা। আজ কারেন নেই, কাল নেট নেই, পশশু সারভার ডাউন ইডা সিডা আরো কত কি। হ্যাতো হ্যাপা সামলয়ে যদিও বা হাতে এট্টা আসে সিডাতেও যদি ভুলভাল থাকে তালি কিরামডা লাগে কওদিনি বাপু! আমার এক ভাইপো সেদিন কলে, এক মাইয়ের নাম ‘সাদিয়া বিলকিস খান’। কাডে নাই তার নাম লিকা আইয়েচে ‘চা দিয়া বিস্কিট খান’। আরেকজনের নাম ‘জিমি বিনতে আরোহী’ তার নাম আইয়েচে নাই ‘জমি কিনতি আগ্রহী’। জানিনে ইডা সত্যি না মিস্তে। তেবে ইরাম সব্বরাশা কান্ড যে আকচার ঘটচে সিডা নিয়ে নিচ্চয় কারো দ্বিমত নেই। এই নিয়ে কতা উসাতিই সব ঝাপায় পড়লো। মানুস যে দিন দুইনেয় হ্যাতো খবরাখবর রাকে সিডা ভাবদি গেলি আকাটা মাইরে যাতি হয়। একজন কলে তার এক কুটুমের নাম ‘স্বপন বোস’। তার নাই কাডে নাম বাইরোচে ‘স্বপন দোষ’। সেই লোক লজ্জায় আকাটা মাইরে যায় কোনটোয় তার কাড দেকাতি। আরেকজন কলে তার এক বড়দার নাম রোদন দে। কিন্তু তার নাম কম্পুটারে যে লিকিলো সে লিকতি যাইয়ে ‘র’ এর জাগায় ‘চ’ দিয়ে দেচে। সেই বড়দা কারো সুমকি মুক দেকাতি পারে না ইরাম এট্টা দশা। এই সব কতা শুনতি লগুড়ে মনে হচ্চে। কিন্তুক আদতে যার নাম ভুল যায় সেই বোজে এর জ¦ালাডা কি। একেতো নামের বানান ভুল কইল্লো তারপর সিডা যদি সংশোধন কত্তি যাওয়া হয় তো মরার ওপর খাড়ার ঘা’র মতো দশা। ফিসির পর ফিস তো গুনোগারি দিতিই হবে সাতে এই কাগজ সেই কাগজ জুগাড় যন্তর কত্তি যাইয়ে পার তলার সুতো কাইটে যাবে তবু নাম সংশোধন হবে না। ভুল যে করবে গুনোগারি দিলি তারই দিয়াডা উচিত। কিন্তুক অফিসি এই কতা ঘাসজল খাবে না। যতবার আসপা ততবার ফিস। তাই কিডা মইল্লো কিডা বাইচলো সিডা নিয়ে মাতা ঘামানোর কারো কারো টাইম নেই। এইরাম কইরেই কি মানসির ভুগান্তি চলতিই থাকপে? এর কি কোন সুরাহা হবে না! কোচ্চেনডা কত্তিরপক্ক আর সুধীজনের কাচে রাখলাম। আলাম কনে, মলাম যে! ইতি- অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন