
এট্টা সুমায় ছিল গিরামের কোন কুটুম সাক্কেতআসলি সাতে সাতে গাছে লোক উটোয় দিয়া হইতো খাইন সমেত ডাব পাড়ার জন্যি। এক গেলেস ডাবের পানি দিয়ে কুটুম বরন করা হইতো। আর নারকোল কুরা, গুড় দিয়ে চিড়ে মুড়ি খাওয়া সিডা পরের ধাপ ছিল। কিন্তুক সেই রিয়াজ আর নেই কলিই চলে। হালি কইরে ডাব খাওয়া একন বিলাসিতা। নিদেন পক্কে অসুখ বিসুখ ছাড়া মানুস ডাব খাওয়ার কতা ভাবদিও পারে না। পারবে কি কইরে? এট্টা গুড়ুলে ডাবের দাম ও শ’টাকা। আর এট্টু নুরানী চিহারা হলি দেড়শ। আর গড় ডাবের দাম একশ কুড়ি পচিশ। তালি কও দিনি বাপু মানুস কি কইরে হাউস কইরে ডাব খাবে। শুনিচি একন ডাবের পানি চিকিসসে ছাড়া খুব এট্টা মানুস খাতি পাচ্চে না। মানসির শরীলি নাই ইলেকটিসিটি নামের এট্টা জিনুস আছে। সিডার ঘাটতি পাল্লি শরীলি নানান ঝুনঝাট দেখা দেয়। তকন এই সমিস্যা কাটাতি এক ধরনের সিলাইন পুশ কত্তি হয়। সেই সিলাইনও দামি। আর মাজেমদ্দি রুগির অবস্তা এট্টু খারাপ হলি ফার্মেসীতি ওই সিলাইন কুককুড়ি খেলে। মুটা দাম ছাড়া তকন তলাশ কইরে পাওয়া যায় না। সেই সব মানসির তকন এট্টায় ওষুদ সিডা হচ্চে ডাবের পানি। তাই সেইসেই পানিও ভিলকাজ ধইরেচে। ডাবের পানি একন বিক্কির হচ্চে ওষুদির মতই দামে। তামান জাগায় মানসির মুকি শুনি মুবাল নেটওয়ারের জন্যি নাই গােেছর ডাব নারকেল সেইরাম আগের মতো হচ্চে না।এই উসলোতে দাম চড়া। আবার কয়দিন আগে এক মুরুব্বীর মুকি শুনলাম ডাব নারকেল ফলন নির্ভর করে গাছের গুড়ার পানির ওপর। একন দিনকে দিন পানির লিয়ার শট হইয়ে যাচ্চে। যে কারনে নারকেল গাছের গুড়ায় আগের মতো পানি নেই বিলে ফলন কুইমে গেচে। কুমা কলিও কম হবে। এক সময় এমন কোন বাড়ি ছিল না যে বাড়ি হাতড়ালি নারকেল পাওয়া যাইতো না। আর একন বাটি চালোক দিলিও, খালি বাটি ফেরট আসচে নারকেল তলাশ কইরে পাচ্চে না। এর শেষ যে কনে যাইয়ে থামবে ওপরয়ালায় কতি পারেন। কি সব্বোরাশে কতা কওদিনি বাপু ! আলাম কনে, মলাম যে !
ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন