
কুটিকালে দেকতাম একসের গোস্ত কিনলি হালুসালু কইরে খাওয়া যাইতো। আর একন একসের গোস্ত কিনলি রান্দার পর যা হয় তা দিয়ে দুই তিনজনের এক সাজ হবে কিনা সন্দো। আমার এক ভাবীর সাতে এই নিয়ে ম্যা’ভাইর কালকে বাইদেয়েচে হাইরে হাই। ম্যা’ভাইর যেই কইয়েচে রান্দার সুমায় ঝাল নুন চেক করার নাম কইরে আইলে বওয়াও, তাই খাতি গেলি হাড়িতি গোস্ত শট। এই কতা কওয়ার সাতে সাতে ভাবীও ভিমরুলির মতো তারে চাগাবাগা কইরে ধইরেচে। পরে এই নিয়ে বড় ক্যাওয়াজ হতি পাইত্তো যদি চাচা আইসে বান্দাল না দিতো। চাচা ম্যা’ভাইরে ডাইকে কলে শোন, তুই যে অকারনে বৌমারে দুষারোপ কত্তিচিস, দিন দুইনের কোন খবরাখবর রাখিস? ম্যা’ভাই কলে তুমি কোল টানা শালিস কইরেনা কলাম। মুরুব্বী কলে, শোন আগে গরু ছাগলের খড় ভুষি পাতা পুতি খাইতো তাতে গোস্ত এট্টু কম হলিও যা হইতো তা টনটাইট। আর একন ফিডমিড খাওয়ায়ে ভইদো বানাচ্চে। গোস্ত বেশি হচ্চে কিন্তুক তাতে পানি সার। যকনই চুলোর পরে গোস্ত চড়ানো হয় তকনই মচ্চিমুলামে পানি বাইরোনো শুরু হয়। শুনতি পালাম অনেকেই আবার জবোই দিয়ে গোস্ত পানির ডিরামে চুবোয় নিয়াসে। আর যারা এট্টু স্যায়না তারা গোস্তোর মদ্দি সিরিঞ্জ দিয়ে পানি পুশ করে। মুরুব্বীর কতা শুইনে ম্যা’ভাই আর আমার তো পুইতো যাওয়ার দশা। কোনদিন তো ইরাম কইরে তাগায় দেকা হয়নি। খতে হাতে নিয়ে শুদু সদায়পাতিই কইরে আনি। তলাশ করা হইয়ে ওটে না। মুরুব্বী দুক্কু কইরে কলে, আগে মা চাচীরা মসলাপাতি দিয়ে গোস্ত নুনাশ কইত্তো। বাটি নিয়ে কত বইসে থাকিচি নুনাশ গোস্ত খাওয়ার জন্যি। পরে নুনাশ গোস্তে উপরি পানি দিয়ে ঝোল বানাতো। আর একন গোস্ত চুলোয় দিলি যে পানি বাইরোয় সিডা কুমাতিই জীবন খ্যায়। মুরুব্বী আমারে কলে ভাইবে দেক আক্কেল এক সের গরুর গোস্তোর দাম আটশ। চার পুয়া গোস্তে যদি এক পুয়ার বেশি পানি বাইরোয় তালি পানির সের কত কইরে পড়ে? অংক কষায় কুটিকালতে দূব্বল বিলে লিকাপড়াই পাইজে গিলো। একন এই অংকের হিসেব মিলোবো কনতে কওদিনি বাপু ! আলাম কনে, মলাম যে !
ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন