
এক সুমায় রাস্তায় পত চলতি মনে কোচ্চেন উইটতো যশোর শহর মানে রিকশার শহর। কয়দিন ধইরে মনে হচ্চিল ইডা মনে হয় ইজিবাইকের শহর। হালি কইরে মনে হচ্চে যশোর সাইকেল মোটরের শহর। পামে তেল দেচ্চে এই খবর চাউর হলি পঙ্গপালের মতো সব হুবড়ি খাইয়ে পড়চে পামে। হ্যানে কোন পাম নেই য্যানে তেল নিতি লম্বা লাইন চোকি পড়চে না।
হ্যাতো সাইকেল মোটর কনতে আইসলো হটাস কইরে! এই নিয়ে এক ভাইপোর সাতে টুয়াপাচা কচ্চিলাম। ভাইপো কলে, ইডা শুদু যশোর না, তামান জাগায় একই দৃশ্য। দেকপা কোনটোয় খানা কিম্বা দান ধ্যান কচ্চে ইরাম খবর চুরি কইরে কল্লিও দুইনের ফকির কনতে না কনতে হাজির হইয়ে যাবে। কারন হচ্চে যারা হ্যানতে নেচ্চে উরায় আবার লোকজনরে চাপনিতি খবর দিয়ে দেয়, ত্বরা কইরে এদিকি আয় বুজবাজ আচে। ব্যস চোকির পলকে দল বাইন্দে সব আইসে হাজির। সিরাম কিচু লোক আচে তাইগের সাইকেল মোটরের ট্যাংকিতি তেল থাকলিও পামে তেল দেচ্চে দেকলি থির থাকতি পাচ্চেনা।
মচ্চিমুলামে দাড়ায় যাচ্চে, নিজে নেচ্চে আবার পোচার সুম্পাদকের দায়িত্ব পালন কচ্চে। আমি তারে কলাম এ তুই কি কচ্চিস। এত লম্বা লাইন, ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়ায় থাকা সিডা কি ভানাচি কইরে থাকা সম্ভব। আমরা তো নিহাত দায় না ঠেকলি কোনটোয় যাতিই চায়নে। ভাইপো কলে, চাচা ইরাম লোকও তুমি পাবা। যাইগের তেল বেগোরো ট্যাংকিতি জং পইড়ে গিলো কিম্বা কেউ ৫০ তে হাইরেশ ১০০ টাকার বেশি তেল ভইত্তো না একন তারা ধার দিনা কইরে হলিও ট্যাংকি ভইরে নেচ্চে। কেউ ভাব দেকানোর জন্যি নেচ্চে, কেউ তলশুড়া ধান্দার জন্যি নেচ্চে। আমি কলাম ভাবডা নাই বুজলাম, তলশুড়াডা কি?
ভাইপো কলে চাচা তুমি এট্টু চোককান খুলা রাখলি বুজদি পারবা। একন ঢম বা বতলে তেল বেচা নিষেদ। যদিও যারা হুনো তারা ঢমে নিয়ে যাচ্চে চোক ছাপায়ে। আর যারা বতলে নিয়ে যাতি পাচ্চে না, তারা ট্যাংকি ভইরে নেচ্চে পরে তেলের নল খুইলে বতলে ভইরে রাখচে। এই সব ধুরন্দর লোকজনের জন্যি যাইগের আদতে দরকার তারা তেল বঞ্চিত হচ্চে। যারা ভদ্দর লোক তাইগের কি লম্বা লাইনি দাড়ায়ে ঘা গুতো মাইরে কাজাকাজি কইরে তেল নিয়া সম্ভব? ভাইপোর কতা হচ্চে তেলের কাড না বানায়ে পামে সিনাবাহিনী দিয়ে ট্যাংকি চেক কইরে তেল দিলিই বহুত মাল কট খাবে। তার বুদ্দি শুইনে আকাটা মাইরে গিলাম। আলাম কনে, মলাম যে !
ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন