
সুময়ডা ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ । গিরামের কাগজ নামের স্বপ্নের বীজির চারা ফুটিল সেদিন। সপ্তাহিক হিসেবে যাত্তারা শুরু করে গিরামের কাগজ। যশোর উকিল বারে হইলো পেত্তম পোকাশনা উসসব।। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করিলেন মণিরামপুর -৫ আসনের তকনকার এমপি খান টিপু সুলতান চাচা। পোধান অতিথি ছিলেন সদর-৩ আসনের এমপি আলী রেজা রাজু চাচা। মশিউল আজম স্যারের সভাপতিত্বে সেদিন অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করিলেন অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম চাচা। পেত্তেক সপ্তার রোববারে বের হইতো সপ্তাহিক গিরামের কাগজ। গুড়ার দিকি নিজিগের কোন অপিস ছিল না। পোস্ট অপিস পাড়ার ফজলে মনি চাচার ভাড়া বাসায় থাকতেন গিরামের কাগজের সম্পাদক মবিনুল ইসলাম মবিন চাচা। সেই ভাড়া বাড়ির এক কুনায় ছিল গিরামের কাগজের অপিস। ২০০০ সালের ২২ ডিসেম্বর দৈনিক হিসেবে গিরামের কাগজ ছাপা শুরু হয়। সাদা কালো হিসেবে শুরু হয় তকন। তেবে বেশিদিন লাগিনি সাদাকালোত্তে রঙিন হতি। ২০০২ সালের ১৭ মার্চ দক্কিন পচ্চিম অঞ্চলের পেত্তম রঙিন দৈনিক হিসেবে শুরু হয় গিরামের কাগজের পতচলা। ২০১৭ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর গিরামের কাগজের পালকে জুড়া লাগে আরেট্টা পালক। চারপাতাত্তে থেকে আটপাতায় ছাপা শুরু হয়। সেই সুমায়েত্তেই আমার এই কুচো চিটি লিকা ইস্টাট হয়। ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চেত্তে হাটি হাটি পা পা কত্তি পাঠকের সিরা দৈনিক গিরামের কাগজ একন ২৮ বচরে পইড়েচে। যশোরেত্তে পতচলা শুরু কল্লিও গিরামের কাগজ শুদু যশোরের মদ্দি থাইমে থাকি নি। অনলাইন আর ডিজিটালে পৌছোয় গেচে তামান দুইনের মানসির কাচে। বিশ্ব মিডিয়ায় পোচারিত হইয়েচে গিরামের খবর। জেআইজেএন এ সারা বিশ্বোর অনুসন্ধান রিপোটের মদ্দি সিরা দশের অইন্যতম রিপোট ছিল গিরামের কাগজের মাতৃত্ব ভাতা নিয়ে অনিয়মের রিপোট। আন্তরজাতিক গণমাইদ্যম আল জাজিরায় উটে আইলো গিরামের কাগজের সেই অনুসন্ধান রিপোটে মডেল। আস্তা ভালবাসায় ২৭ বচরের পতচলায় স¹লির মুকি মুকি গিরামের কাগজের জয়গান। এই ধারা চলতি থাকুক অনন্তকাল। ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন