
এট্টা সুমায় ছিল ঈদ মানে ছেমোয় চেনি ছিল। একন সেই সুমা আর নেই, মানসির আর মিস্টিতি ঝোক নেই। ঝোক চইলে গেচে ঝালের দিকি। কয়দিন ধইরে শুনতিচি বাজারে মসলাপাতির দাম বাড়তি। এই মসলাপাতি কিসি লাগবে সিডা নিয়ে দুডো কতা। গরুর গোস্ত সেই যে সাড়ে সাতশ’য় বান্দা পইড়ে গেলো সিডাত্তি আর ছুটোনোয় গেল না। মাজে মদ্দি কোনটোয় সাড়ে ছয়শ শুনা যায় তেবে তাতে ছাট আর চবর দিয়ে কেজি ভজানোর কতা শুনতি পাওয়া যায়। এরমদ্দি অনেকে আবার ঈদির শুভেচ্চা বিনিময় কত্তি গরুর গোস্ত সাড়ে সাতশত্তে আট হাকায় দেচ্চে। কেউ এই নিয়ে কতা উসাতি গেলি মিচকি হাইসে কচ্চে বচরের এট্টা দিন। কি আর করা। ও দিকি তো ছাগলের গোস্তের দিকি আমাগের মতো উমি মানসির কিনা তো দূরির কতা, উকি মাত্তি গেলিও আবার টাকা চাইয়ে বসে কিনা সেই ভয়তে থাকতি হয়। বারোশ’ তো উইটেই ছিল ঈদি হয়ত এই গোস্তোও শুভেচ্চা দর বসায় দিতি পারে। সুনালী কুকড়োর গায়ও ঈদ লাইগে গেচে। একনই সাড়ে তিনশ উইটে গেচে। চান উইটলি হয়ত আরো বিশ ত্রিশ বাড়তি পারে। দেশি কুকড়োর কতা আর নাইবা কলাম। নামে দেশি প্যাটে বাজারে কিনা ফিড। তাইগের রেট সাড়ে পাচ ছয়শ কেজি। এক কেজির প্যাকেটের চেকন চাল আগে শ’টাকায় পাওয়া যাইতো একন তা দেড়শ বা তারও উপরে চইলে গেচে আর তা যদি ভারত পাকিস্তানের প্যাকেটে ভরা যায় তালি তা চারশ’র ওপরে। জামা জুতো না কিনেও ঈদ পার করা যায় কিন্তুক বচরের এট্টা দিন, বাড়ি এট্টু ভালোমন্দ না রানলি তো আর চলে না। কিন্তুক বাজারে গেলি আম বড়, হাত ছোট’র মত দশা। যে টাকা নিয়ে যাওয়া হচ্চে তাতে পাই উটোয় আসা দুষ্কর। যাইগের উপরি আর তলশুড়া কামোয় আচে তাইগের এই সব দাম দর কোন বিষয় না। ফেল কড়ি মাকো তেল। কিন্তুক যাইগের আমার মতো দশা তাইগের তো বাজারের যাওয়া আগে পিশারের ওষুদ সাতে নিয়ে যাতি হচ্চে। সদাই পাতির দাম শুইনে ককন যে নো পিসার হাই হইয়ে যায় তা কওয়াডায় মুশকিল। যার জ্বালা সেই বোজে! আলাম কনে, মলাম যে ! ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন