
দিন সুমা ইরাম পইড়েচে কারো আর বিশ্বেস করার জো নেই। দেশে তেলের টান পড়তি পারে ইরাম খবরে চারিদিকি ছড়ায় পড়ার সাতে সাতে জ্বালানী তেল নিয়ে তেলাতেলি শুরু হইয়ে গেলো। কেউ যত পারে তত কিনে নিতি পাল্লি বাচে আবার অনেকে সাইরে রাইকে না বেচতি পাল্লি বাচে। এরমদ্দি খবর চাউর হইলো নাটোর জিলার সিংড়ে বাজারের এক ব্যবসায়ী তার বাশঝাড়ের মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতি ভাইরে ১০ হাজার লিটার জ্বালানী তেল সাইরে রাকিল।
একন চোক সাফাই কইরে কিচু করার উপায় নেই। তলশুড়া কইরে তেল সারার খবর জানাজানি হতিই ইউএনও সাহেব পুলিশ নিয়ে হাজির। পরে বাশঝাড় খুইচে সেই তেল উদ্দার কইরে বাজারে আইনে বিক্কির করায়েচেন। যে ব্যবসায়ী এই খাইনডা বাদাইলেন তার নাম রুবেল হোসেন আর তার দুকানের নাম সততা স্টোর। যদি সততা স্টোর এই কাজ করে তালি অইন্যগের আর কি দোষ দেব কওদিনি বাপু !
ধরা খাইয়ে রুবেল চা কইয়েচে, দেশে তেলের সমিস্যা হতি পারে তাই কিচু বাড়তি মুনাফার আশায় এই কাজডা করিলাম। কিন্তুক তার এই কম্মের কারনে তার আর দুকানের সততা কনে গেল সিডা কি একবারও ভাইবেচে। বড় বড় কাপুড়ির দুকানে দেশি কাপুড়ির গায় বিদেশী ট্যাগ লাগায়ে চড়া দাম হাকায় দেচ্চে। বাজারে পেত্তেক জাগায় খদ্দের ঠকানোর মচ্ছব। মাল কড়ির ধান্দায় সব চোকপাল্টি। একজন কলে বড়গের সততা কনতে আসপে যদি ছোটবেলাত্তে সততা না শিকোনো হয়।
তাই শুইনে আরাকজন কলে, গুড়ুলে ছিলেপিলের সততা শিকোনোর জন্যি ইশকুলি ইশকুলি সততার দুকান খুলা হইলো। তাতে জিনুস পত্তর থাকপে, দাম লিখা থাকপে কিন্তুক কোন দুকানদার থাকপে না। যে যিডা নেবে মালের দাম নিজ গরজে ক্যাশে রাইকে যাবে।
কিন্তুক শুনতি পালাম সেই সততা দুকানেও সিসি ক্যামেরা লাগাতি হয় কিডা কম্মি নিয়ে গেল সিডা পরে চোকি দিয়ার জন্যি। এই শুইনে আমাগের হেকমত চা কলে চুড়ান্ত কতা। তিনি কলেন পরিবার হচ্চে সব চাইতে বড় সততা শিক্কেকেন্দ্র।
যদি বাপ মা’রই সততা না থাকে ছেলেপিলে সততা কনতে শেকপে! পরিবারই হচ্চে সততার সব চাইতি বড়বিশ্ববিদ্যালয় আর মা বাপই হচ্চে সব চাইতে বড় ভিসি। তার কতা শুইনে আকাটা মাইরে গিলাম, আলাম কনে, মলাম যে !
ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন