
ব্যাকিং সিবা সহজ করার জন্যি এটিএম বুথ বসানো হইলো। কমবেশ সব ব্যাংকের ইরাম বুথ আছে। কারো এট্টা আরো একের বেশি। আমাগের যশোর শহরে সরকারি বেসরকারি বড় বড় সব ব্যাংকের বুথ দেকা যায়। বুথির সুমকি লিকা সপ্তায় ৭ দিন ২৪ ঘন্টা খুলা। এই সিবা নিয়ার জন্যি কাস্টমারগের একাউন খুলার সুমায় কাড নিতি হয়। তার জন্যি দেড়ি টাকা দিতি হয়।
এই কাড আর ম্যাসেজের নাম কইরে মচ্চিমুলামে টাকা কাটে ব্যাংকয়ালা। অতচ যকন দরকারি সুমায় হয় তকন দেকা যায় সিবার নামে হ-য-ব-র-ল অবস্তা। বিশেষ কইরে ঈদ আসলি তো কতায়ই নেই। কিচু বুথ আছে তাইগের ঈদ পুজো আ উসসব লাগেনা তাইগের ব্যারাম বারাসে। বেশির ভাগ সুমায়ই নেটওয়ার থাকে না, নেটওয়ার থাকে তো কারেন থাকে না।
কারেন থাকে তো পাচ হাজারের বেশি টাকা বাইরোয় না। কারো কারো তো টাকা তুলার কমান দিলি ফচাৎ কইরে ঘু¦ইরে যায়, টাকা কাইটে নেয় কিন্তুক মেশিনতো টাকা বাইরোয় না। কাস্টমারের নিয়ম জানা না থাকলি হয়ত বুজদি না পাইরে ফিরে চইলে যায় টাকাডাই মাইর।
একনো ঈদির বন্দ পড়িনি এরই মদ্দি যশোরের অনেক বুথ পাটায় পইড়েচে। বুথির সুমকি মানসির লাইন। কিন্তুক বুথ অসাড় মাইরে আচে। ককনো লিকা ওটচে আউট অপ সারভিস। ককনো পরে আবার চিস্টা করেন। নিজির ব্যাংকের বুথিত্তে টাকা তুললি পেত্তেকবার কোন টাকা কাটে না।
কিন্তুক অন্য ব্যাংকের বুথিত্তে তুলতি গেলি পেত্তেকবারের জন্যি ২৫ টাকা কইরে খ্যায়। আগে ইডা কোনটোয় ১০ টাকা, কোনটোয় ১৫ টাকা ছিল। হালি কইরে সিডা ২৫ টাকা কইরে কাটচে। যে সব বুথ পাটায় পইড়েচে স্যানে যারা দায়িত্বে থাকে তাইগের কাজ হচ্চে টুলি বইসে মুবাল চালানো। না কোন তত্য, না সিবা ইরা দিতি পারে।
এইগের কাজ হচ্চে আদ্দেক সাটার উলায় থুয়া কম্বা বুথির সুমকি বইসে শুদু খবর দিয়া টাকা নেই বা তুলা যাবে না। আর কোন দায় দায়িত্ব না বুথয়ালাগের না ব্যাংকয়ালাগের আছে।
অনেক বুথি পিরায় সুমায়ই টাকা থাকে না, সিডা দেকারও সুমায় নেই ব্যাংকয়ালাগের। চোকির সুমকির ঘটনা, মানুস হয়রানি হচ্চে কিন্তক এই নিয়ে কারো কোন মাতাব্যাতা নেই, ফ্যারডা কি ! আলাম কনে, মলাম যে !
ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন