
বড় বড় নামকরা দুকানে কাপুড় চুপুড়, জুতো বা হরকোলি জিনুস কিনতি গেলি পিরায় দেকা যায় আসল দামের সাতে ১৫ % ভ্যাট ধইরে দাম কইষে দেয়। ডিজিটাল চুতায় সেই সব এত কুচো কইরে লিকা থাকে যে অনেকেরই সিডা চোকি পড়ে না। বেশির ভাগই বড়লোক খদ্দের হওয়ায় তাইগের এই সব নিয়ে ভাবার সুমায়ও নেই। বরং দাম যত বেশি হবে ভাব দেকানোডা তত যুইত হয় সে কারনে তাইগের এ সব নিয়ে মাতাব্যাতা নেই।
কিন্তুক যাইগের তলশুড়া কামোয় নেই ছাপুষা তারা এই সব দুকানে কিনাকাটা কত্তি যাওয়া মানে গলায় পোচ খাওয়া। জাতীয় রাজস্ব বোডের নিদ্দেশনা হচ্চে সুপারশপ বা বড় শপিং মলে মালের গায় যে খুচরো দাম লিকা থাকে তারমদ্দি ভ্যাট ধরায় থাকে। তাই দেড়ি ভ্যাট নিলি সিডা অবৈদ্দ। এর বাইরিও কতা আচে। যে দুকান ভ্যাট নেবে তাইগের ভ্যাট নিবন্ধন নাম্বার থাকতি হবে। দেড়ি ভ্যাট নিলি সেই ভ্যাটের চালান যিডা নীল রঙের ছাপানো ফরম সিডা থাকতি হবে।
কাস্টমারের কাচতে ভ্যাট নিলি সেই নীল কাগজের ফরম পূরণ করে তার এক কপি কাস্টমাররে দিতি হবে। কারন রশিদ ছাড়া সরকারি কোন টাকা লেনদেন হয় না। আইনি কওয়া আছে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৫১ এবং বিধি ৪০ অনুযায়ী, পেত্তেকটা ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানরে জিনুস পত্তর বিক্কির সুমায় কাস্টমাররে বাইদ্যতামূলকভাবে মূসক-৬.৩ (কর চালানপত্র) দিতিই হবে।
এমনি ক্যাশ মেমোতে ভ্যাট' লিকে টাকা নিয়া সম্পূন্ন বেআইনি এবং ডন্ডনীয় অপরাধ। আইনি আরো কওয়া হইয়েচে দুকানের ক্যাশ কাউন্টারের আশেপাশে বা য্যানে সহজেই চোখ যায় ইরাম জাগায় ১১ বা ১৩ ডিজিটির ব্যবসা শিনাক্তকরা নম্বর (বিন) সংম্বলিত সাট্টিফেট ঝুলোয় রাকা আইনগত বাইদ্যতামূলক।
ইডা না দেকাতি পাল্লি তারা ভ্যাট নিতিই পারবে না। এ ছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোডের দিয়া টাকা নিয়া মেশিন থাকতি হবে। সিডাত্তে যে চুতা বোরোবে তাতে নিচ্চিত হবে ভ্যাটের টাকা সরকারি কুষাগারে জমা হচ্চে।
কিন্তুক বেশির ভাগ দুকানেই নিজিগের বানানো বা কিনা চুতা মেশিন ব্যবহার করা হয়। তারা যা পাতায় দেয় সেই লিকাই চুতায় বাইরোয় আসে। মুক্কু সুক্ক মানুস জ্ঞানের বহর খাটো। তাই এই চিচিডা পইড়ে অনেকের মনে হতি পারে আদার ব্যাপারীর জাহাজের তলাশ কত্তি যাওয়া। কিন্তুক জনস্বাত্তে চিটিডা লিকলাম। ভুলত্রটি মাজ্জনীয়।
ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন