
চিটিডা লিকতিও খুব খারাপ লাইগদেচে। হরহামেশায় ইরাম খবর কানে আসে। এট্টা চাজ্জার ভ্যান ছিনতেই কত্তি যাইয়ে জানেই খ্যায় কইরে দেচ্চে। কি সব্বোরাশে কতা কওদিনি বাপু ! বগুড়ার শিবগঞ্জে চাজ্জার ভ্যান ছিনতেই করার এট্টা চক্করগের ধরিল পুলিশ। এই দলে চারজন ছিলো। এইগের কাজ ছিলো বিটিগের সাজায় গুজায় ভ্যানয়ালারে টোপ দিতো মুটা টাকায় নিজ্জন পতে নিয়ে যাওয়ার জন্যি। সেই টোপে যারা পইড়তো তাইগের ভ্যানতো যাইতোই সাতে জানডাও খ্যায় হইতো।
বিটিগের কাজ ছিলো দিন চুক্তিক ভাড়া কইরে ভ্যানয়ালার সাতে মিটেমিটে কতা কইয়ে খাতির করা। তারপর যাওয়ার পতে কোনটোয় থাইমে নাস্তা পানি করার সুমায় ভ্যানয়ালারেও খাতি দিতো। কিন্তুক আগেত্তে তাইগের খাওয়া ঠিক করা থাইকতো। যিডাতে অজ্ঞান করা মাল মেডিসিন আগেত্তে দিয়া থাইকতো সিডা ঠিক ভ্যানয়ালারেই খাতি দিতো।
বাড়িত্তে আনা খাওয়া , সগ্গলি মিলে খাচ্চে তাতে ভ্যানয়ালার তো সন্দো করার কিচু থাকে না। কিন্তুক এরমদ্দিও যে ছালচাতুরী রইয়েচে তা খাওয়ার পরে টের পাইতো। অবিশ্যি পাইয়ে আর লাভও হইতো না। যদি কপাল ভালো হইতো তেবে ভ্যানডা গেলিও কারো জানডা বাইচে যাইতো। কিন্তুক বেশীর ভাগের বেলায় হইতো তার উল্টো। ভ্যান আর জান দুডোই যাইতো চইলে।
শিবগঞ্জ থানার মেঘাখর্দ্দ দক্কিন পাড়া এলেকার অটোভ্যান চালক হাফিজুর রহমান সকালে চাজ্জার ভ্যান নিয়ে বাড়িত্তে বাইরোলেন। সন্দের পর মুকামতলা সুনাতলা রাস্তার আমঝুপি তিনমাথা এলেকায় অজ্ঞান হইয়ে পইড়ে থাকা অবস্থায় হাতা সিং কইরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হইলো। দুদিন পর তিনি মইরে যান।
সেই ঘটনায় হাফিজুর চা’র ছাবাল আমিনুল ম্যা’বাই উজ্জুক কইরে মামলা কল্লি পুলিশ চোরগের ধইরে ফেলায়লো। আমি ভাইবে পাইনে এট্টা ভ্যান চুরি কইরে চুরাই জিনুস হিসেবে বেইচে কত টাকা উরা পায়? এট্টা ভ্যান আর চাজ্জার ব্যাটারির দাম কি এট্টা মানসির জানের চাইতেও বেশী? কোন পরানডা কনে থুইয়ে তারা ইরাম কাজডা করে কওদিনি বাপু।
যারা ইরাম ভ্যান চালায় বেড়ায় বেশির ভাগ সুমায় তারা ধার দিনা কিম্বা সমিতিত্তে কুচো লোন তুইলে এই সব করে। সারাদিন ভাড়াভুতো খাইটে কিস্তি টানে এই আশায় শোধ হইয়ে গেলি যা থাকপে সিডা দিয়ে বউ ছাবাল মাইয়ে নিয়ে কোন রকম দুডো ডাল ভাত খাবে ।
তাইগের জিনুসটা চুরি কইরে নেচ্চে, সাতে আয় করা মানুসটারে মাইরে ফেলতেচে তালি ঐ পরিবারডা কি হাল হয় সিডা একবারও কি মনে দাগা দেয় না !
ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন