
কুটিকালতে ছেলেপিলের জাতীয় সঙ্গীত পড়ানো হয়, শিখোনো হয়। পিটি প্যারেটতে শুরু কইরে জাতীয় দিবস আর বড় বড় অনুস্টানের শুরুতি জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয়। জাতীয় বা আন্তরজাতিক পযযায়ে পতাকা আর জাতীয় সঙ্গীতটারে এট্টা দেশের পোতিক হিসেবে চিন্নিত করা হয়।
বিশ্বকাপ বা সেইরাম বড় কোন অনুষ্টানের শুরুতি জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয় তকন অনেকে আবেগে কাইন্দেও বুড়োয়। তাই জাতীয় সঙ্গীতটারেও নাগরিকত্তের দলিল হিসেবে অনেকেই মনে করেন। জাতীয় সঙ্গীত শুদু এট্টা গান না বরং ইডা জাতিস্বত্তার পরিচয় করায়। আমাগের দেশের কেউ জাতীয় সঙ্গীত জানবে না বা পারবেনা সিডা কেউ কোনটোয় কল্পনাও কত্তি পারে না। অতস্ত সিরাম এট্টা খাইন বাইদে গেলো আমাগের দেশে।
চাকরির পরীক্কের ৩৮জনরে জাতীয় সঙ্গীত লিকতি দিলো তার শতভাগ ফেল মাইরেচে। কি সব্বোরাশে কতা কওদিনি বাপু। পঞ্চগড় জিলার তেতুলে উপজিলায় এ ঘটনা ঘইটেচে। উপজিলা পোশসানের তদারকিতি নিয়োগ ছাড়িল। গ্যালো বুধবার তেতুলে উপজিলার তিরনইহাট,তেতুলে আর দেবনগর ইউনিয়ন পরিষদের একজন কইরে তিনজন আর শালবাহান ইউনিয়নের দুইজন মোট পাচজন গিরাম পুলিশির মহল্লাদার পদে নিয়োগ পরীক্কে ছিল।
পাচটা পদের জন্যি ৩৮ জন আবেদন করিল। শারিলিক পরীক্কের পর নিয়োগ কম্মকত্তারা মিধা যাচাই করার জন্যি পেত্তেক আবেদনকারীগের জাতীয় সঙ্গীত লিকতি খাতা কলম দিলো। সুমায় বাইন্দে দিলো ১৫ মিনিট। এই নিয়োগ পরীক্কের শত্ত ছিল কমেরপক্কে এইট পাস। খাতা খতেনে এইট বা তার বেশি লিকাপড়া জানা লোক আবেদন করিল।
কিন্তুক নামে তাল পুকোর ঘটি উবুড় হয়নি। মিধা যাচাই কত্তি যাইয়ে নিয়োগ কত্তরাই বিয়কুপ। ৩৮ জনের কেউই জাতীয় সঙ্গীত লিকতি পারিনি। মনের দুক্কি নিয়োগ কত্তারা পুরো নিয়োগডারে বাতিল কইরে ফেত্তে আবেদন কত্তি কইয়ে হাটা দেচে।
কতায় কয় ঢাকের বাড়ির আগে চুপার বাড়ি দৌড়োয়। ব্যস অমনি এই খবর তামান জাগায় গাবায় গেচে। যেই শুনেচে সেই আকাটা মাইরে গেচে। হ্যাও সম্ভব ! আলাম কনে, মলাম যে!
ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন