
দেকতি দেকতি ভোট চইলে গেলো। মানসির প্যাটের মদ্দি যত কল্পনা বুগলা মাইরে উটিলো তার আপাতত খ্যায় হইয়ে গেচে ভোট গুইনে ফল বাইরোনোর পর। একন শুরু হইয়েচে কিডা কোন দপ্তর পাচ্চে। সারেদিন এই নিয়ে ফেসুবক সরগরম।
যে যারে পাচ্চে তারে দপ্তর দিয়ে মুন্ত্রী বানাই দেচ্চে ইরাম কি অভিনন্দন পন্তিক জানানো হইয়ে যাচ্চে ফেসুবকি। সরকারে পক্কত্তে একনো ঝাইড়ে কাশছে না। কবে শপত হবে এমপিগের। কবে সরকার গঠন হবে। কিডা শপত পড়াবে। এই সব সরকারের পক্কত্তে চুড়ান্ত ভাবে জানায়নি। কিন্তুক ফেসবুকি গরাপ হইয়ে গ্যালো ককন কোনডে হবে তার আগাম খবর। আর কিডা কোন মুন্ত্রী হচ্চে তার আগামবাত্তা।
এই নিয়ে কতা উসাতিই এক মুরুব্বী আমারে ডাইকে কলে, শুনতি পালাম সংসদ দুই খোপের হচ্চে। কিন্তুক দেশের মানসির যে উসসাহ তাতে সংসদ তিনখোপের হওয়া ভালো ছিল। মুরুব্বীর কতা শুইনে স¹লি গা’র কাছে আইগোয় আইয়েচে কি কচ্চে তা টু দ্যা পয়েন হেজেমানে করার জন্যি। আমি তারে কলাম চাচা, অন্তরবত্তী সরকার এট্টা সংস্কার কইরে নতুন নিয়ম কইরেচে সংসদে ওপর কক্ক আর নিচে কক্ক হবে। যারা ভোটে জিতে এমপি হইয়েচে তারা নিচের কক্কে সংসদ চালাবে।
আর যারা ভোটে গড়া খাইয়েচে ভোট পাওয়ার অনুপাতে তাইগের মদ্দিতেও ওপরের কক্কে বইসে তদারকি কত্তি পারবে। এই পন্তিক আমি জানি। স¹লি জানে দুইকক্কের কতা তুমি আবার তিনকক্কের কতা কনতে আনলে? মুুরুব্বী কলে শোন, সংসদের উচ্চকক্ক আর নিম্নকক্কের চাইতে জুরালো হচ্চে ফেসবুককক্ক। সংসদে এমপি হবে ৩০০ জন। উচ্চকক্কে যাবে আরো ১০০ জন। আর ফেসবুককক্কে পিরায় ১৩/১৪ কোটি।
ফেসবুক একন পন্ডিতির পাঠশালা। হ্যানো কোন বিষয় নেই হ্যানে সুমাধান দিয়ার লোক নেই। ভোটের আগেত্তে ফেসবুকি কম ধ্ইুতুলি মুইতুলি হইলো না। ভোট দিয়ার দিন একাক সুমায় একাক খবর। এই দল বাইরোয় গেচে, ওই দল বাইরোয় গেচে।
ইরাম কি ভোট গুইনে ফল দিয়ার আগেই ফেসবুকি একদলের আগাম ভূই হকসানো বিজয়ের খবর চাউর হইয়ে গেলো। যত কেওয়াস বাদে তার গুড়া তলাশ কল্লি ফেসবুকই বাইরোয়। মুরব্বীর কতা শুইনে আকাটা মাইরে গেলাম। আলাম কনে, মলাম যে!
ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন