
যাকাতের সুমায় যিরাম যাকাতের আলাদা কাপুড় আর দুকান থাকে সিরাম ভোটের সুমায় চা’র দুকান। ভোটের চা বিলে এট্টা কতা চাউর আচে ম্যালাদিন আগেত্তে। ভোটের সুমায় ম্যালালোক জমায়েত হয় বিলে অনেকেই অভিযোগ করে অইন্য সুমায়ের এট্টা চা ঘুইটে তিন চারজনরে দিয়া হয়। আবার অইন্যরা কয় দেকা যায় লোক পাচ সাত জন কিন্তুক বিল করার সুমায় দেকা যায় ত্রিশ চল্লিশ কাপ।
আমাগের এলেকার একজন আচে ভোট আসলি সারাদিন ভোটের চা খাইয়ে বেড়ায়। ইরাম খাওয়া খায় যে প্যাটের মদ্দি চা খলবল খলবল করে। কাল সন্দেয় এই সব নিয়ে তেমাতায় টুয়াপাচা হচ্চিল। আমি এক কাপ চা খাইয়ে চলে যাওয়ার আগে টাকা বাইরো কত্তি যাবো অমনি একজন কলে চাচা, ভোটের সুমায় চা ফিরি জানো না। একন বিল দিতি হবে না। শুদু জাগা বুইজে বসতি পাল্লিই হলো।
আমি কলাম বাপুরে, কিডা কার চা দেচ্চে আমি তো জানিনে পাচে এক কাপ চা খাইয়ে যেন বইদরাম না হয়। চইলে যাতি যাব, পেছনতে এক ম্যা’ভাই হাক ছাইড়ে কলে, এত জলদি বাড়ি যাইয়ে করবাডা কি! তার চাইতি চলো আমাগের সাতে। পাড়াও ঘুরা হবেনে আবার ফিরার সুমায় হাতে নগদ কিচু পাইয়ে যাবানে। আমি থ’ মাইরে কলাম পাড়া ঘুল্লি টাকা কিসির? সে নিকচোয় কলে, একন ভোটের গোন, পায় পায় জোন। আমি কলাম কি কচ্চাও সব। যারা নিতাগুতা তাইগের ভোটের সুমায় পুয়া বারো হতি পারে তা বিলে আমাগের মতো উমি লোকের কি চারাবাটি আচে।
আমার কতা শুইনে সে নিকচোনোর মাত্তারা বাড়ায় দিয়ে কলে, শোনো নি ভোটের সুমায় শিশি বোতল ব্যাটারি দুয়াত সব চলে। আমি কলাম যা হচ্চে হোক তেবে তুমাগের উসসাহ দেইকে খুব ভালো লাইগদেচে। ভোটও আমাগের সংষ্কতির অংশ। ভোট আসলি যিরাম ভোট করার জন্যি নিতারা থির থাকতি পারে না, তেমনি ভোট করার জন্যি কিচু কর্মীরাও থির থাকতি পারে না।
আগেই শুনা যাচ্চিল ভোটের মাট চইষে বেড়ানোর কতা। একন সেই মাটে পাতো রুয়ার কাজ চইলতেচে। ঠিক মতো যারা সার আর নিড়েন দিতি পারবে তারাই ফসল ঘরে তোলবে। একন শুদু এট্টু র’ কইরে থাইকে দেকতি হবে। আলাম কনে, মলাম যে !
ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন