
দুইবন্দু আর ভাল্লুকের গল্প জানে না ইরাম কোন মানুস তলাশ কইরে পাওয়া যাবে না। বনের মদ্দি ঘুত্তি যাইয়ে হটাস ভাল্লুকির মুকি পড়িল তারা। এক বন্দু লাফ দিয়ে গাছে উইটে বসিল। আরাক বন্দু গাছে চড়তি জাইনতো। তার তকন মরার জুগাড়। বুদ্দি পাতায়ে মরার ভিলকাজ ধইরে মাটিতি পাটায় পড়িল। সে জানতো ভাল্লুক মরা জিনুস খায় না।
ভাল্লুকও মরা ভাইবে সেই ছ্যামড়া নাক মুক শুইকে চইলে গিল। গাছের ওপরের বন্দু সব তাগায় তাগায় দেকছিলো। ভাল্লুক চইলে যাতিই সে গাছেত্তে সড়সড়ায়ে উইলে আইসে কলে, দোস্ত ভাল্লুক তোর কানে কানে কি কইয়ে গেলো।
মাটিতি পাটায় থাকা বন্দু কইলো বিপদের যে পাশে থাকে না সে বন্দু না। কুটিকালে পড়া গল্পডা হালি কইরে মনে পইড়ো গেল টি টুয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে। নিরাপত্তার দাবি জানায়ে আমাগের দল ভারতে খেলতি যাবে না, জানায় দিলো। তাগের আশা ছিল ভারতের বদলে শ্রীলংকায় যাইয়ে তারা খেলবে।
বিষয়ডা ইরাম না যে এর আগে কেউ ইরাম গো ধইরে খেলতি যায়নি। খোদ ভারতই তাইগের ইচ্চেমত বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপের মত আসরে নিজেগের ইচ্চেমত দেশ আর মাট বাইচে নিয়ে খেলেচে। ইরাম কি অন্যদলরা ভারতের সাতে খেলার জন্যি এক দেশতে আরাক দেশে উইড়ে আসতি হয়েচে। আর ভারত নিজেগের ইচ্চেমত মাটে বানানো পিচি মচ্চিমুলামে খেইলেচে।
অথচ বাংলাদেশ যকন নিরাপত্তার দাবিতি খেলতি যাতি চায়নি তকন সেই নিয়মের থুড়াই কিয়ার কইরে আমাগেরই খেলাত্তে বাদ দিয়ে দেচে। বিষয়ডা দুক্কুজনক। তার চাইতে বেশি দুক্কুজনক হচ্চে খেলতি না যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশরে যারা হুলোয় দিলো তার মদ্দি অইন্যতম দল পাকিস্তান।
তারা কইলো বাংলাদেশরে খেলতি না দিলি তারাও বয়কট করবে। অতচ তারাই খেলতি যাওয়ার দলই ঘোষণা দিয়ে ক্ষ্যান্ত হয়নি পেলেনের টিকিটও কাটা সারা। একন স¹লি খেলবে আর আমরা দাগের বাইরি।
কিরামডা লাগে কওদিনি বাপু। আইসিসি, ভারত, পাকিস্তান স¹লি আমাগের সাতে চোক পাল্টি দেলে, ইডা মাইনে নিয়া যায় না। বহুদিনির পুরোন পোবাদডা তাই সুমকি চইলে আইসলো। বন্দু সেই যে দুঃসুমায়তি পাশে থাকে।
ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন