
কাল এক খবর শুইনে বুকোয় পড়লাম। যুদ্দুর সুমায় না ফুটা এক বোম পড়িল পুকোরি। পুকোরডা গহীন করার জন্যি বচর দশেক আগে খুচা হইলো। সেই সুমায় ভারী লুহার মতন জিুনসটা উদ্দার হইলো। পুকোর পড়ে ফেলায় রাকা হইলো দশ বছর ধইরে।
মানুসজন যারা চ্যান কত্তি আইসতো তারা কাপুড়চোপড়ে সাবান সুডা ঘইষে গার বলে লুগার জিনুসটার ওপর আছড়ায়ে কাপড় পাইট পরিস্কার কইরে নিয়ে যাইতো। এইরাম কইরে কাইটে গেছে দশটা বছর। হালি কইরে একজন লোকের জিনুসটা নিয়ে সন্দো হয়।
হয়ত নেটমেট ঘুইটে বুমাপানা কিচু দেইকে তার সন্দোডা জুরালো হইলো। ফেসবুকি ছাড়ার পর হুটোপাটা জুরালো হইলো। হ্যাতো দুরাইলো যে, থানার ওসি সাহেবরে সরেজমিন তদন্তে যাতি হইলো। যাইয়েই তিনি চিনে ফেলায়লেন। ইডা বুমা বিলে সন্দোর কিচু নেই, ইডা আসলেই এট্ট বুমা। তাও যেনতেন সুমায়ের না।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্দির সুমায় এই বুমা ফেলানো হইলো। হয়তো পুকিরির মদ্দি পড়ার কারনে ফুটিল না। সেইত্তে হ্যাতোদিন পানির মদ্দি থাকার কারনে হয়ত পাইজে গিলো। বছর দশেক আগে পুকোর খুচার সময় সিডারে ড্যাঙ্গায় তুলা হইলো। সেই কারনে বুমার পাওয়োর লেস হইয়ে যাতি পারে।
তেবে সিডার ওপর কাপড় কাচা বা চইড়ে বসার মত সাহস যারা না জানতি কইরে আইয়েচে তাইগের একন মনে মনে ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ার মতো। কি সব্বোরাশে কতা ! কার সাতে কি করিচি ইরাম এট্টা ভাব। এই খাইনডা বাইদেচে ককবাজারের রামু উপজিলার কাওয়োরখোপ ইউনিয়নের ৮ নং ওয়াড লট উখিয়ারঘুনা তচ্চাখালী এলেকায়।
রামুর ইতিহাস নিয়ে কাজ করা শিরুপন বড়ুয়া কাকা ফেসবুকি জিনুসটা ছবি ছাড়িলেন। তারপরেত্তে হুটোপাটা শুরু। শেষ পন্তিক রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম চাচা বিষয়ডা খোলাসা কইরে দেচেন। থানা পুলিশ হওয়ার পর একন সিনাসদস্যরাও বিষয়ডা খতায় দেকচে।
শুনতি পালাম একন ইডা নিয়ে হেডকুয়াটারও পন্তিক কাজ কচ্চে। একন ওপরত্তে যিডা অডার আসপে সেইভাবে কাজ চালাবে। তাই শুইনে এক মুরুব্বী কলে, সব দোষ ঐ ফেসবুকির। হুটোপাটা না বাদলি তো মচ্চিমুলামে সব কাপড়ই কাইচে যাতি পাইত্তো। আলাম কনে, মলাম যে !
ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন