
হাতে হাতে মুবাল থাকায় একন কোনটোয় কোনকিচু করার জো নেই। কনতে কিডা যে ফটক তুইলে নেটে ছাইড়ে দেবে সিডা আন্দাজও করা যায় না। যিরাম কয়দিন ধইরে ফেসবুক গাবায় গেল এক ফকিরের ছবিতি। ভিক্কে করার জন্যি বল বিয়ারিংয়ির চাকা লাগানো লুহা দিয়ে বানানো এট্টা ঠেলাগাড়ির ওপর বইসে থাকেন তিনি।
ঘাড়ের পেছনে ঝুলোনো ব্যাগ, দুহাতে পরা থাকে এক জুড়া জুতা। তাতে ভর দিয়েই ভারতের ইন্দোর শহরের ব্যস্ত সারাফা বাজারের অলিগলি চইষে বেড়ান তিনি। পথচারীর কাছে তিনি ভিক্কে চান না, বরং ইরামভাবে বইসে থাকেন, যাতে মানুস দেকলিই মন গইলে যাইতো।
আইগোয় যাইয়ে তারে টাকা দিত। বিটাডার নাম মাঙ্গিলাল, শারীলিক ভাবে পোতিবন্দী। হালি কইরে তার নাম সারে দুইনেয় ছড়ায় পড়ার হেতু কি? শুনলি পিলে চমকানোর মতো। রাস্তায় ভিক্কে কইরে বেড়ালিও তার শহরে রইয়েচে তিনডে দালান বাড়ি। তিনডে অটোরিকশা আর এট্টা মারুতি সুজুকি গাড়ি। হটাস কইরে তিনি বড়লোক হইয়ে গেচেন বিষয়ডা সিরামও না। পেত্তেক দিন ভিক্কে কইরে যে চার পাশ রুপি পাতেন সিডা তিনি নিজির কোন কাজে লাগাতেন না।
সারেদিন ভিক্কের টাকা সন্দের সুমায় যাইয়ে বাজারে টাকা সুদে খাটাতেন। দিন, সপ্তাহ বা মাস চুক্তিতি সুদে টাকা খাটাতেন তিনি। ভিক্কের টাকা, সুদে টাকার লাভ দিয়ে আবার সুদিখাটানো এইরাম কত্তি কত্তি তিনি একন গাড়ি বাড়ির মালিক। তবু মূল পিশা ভিক্কে ছাড়তেন না। তার এই বিনি পুজির ব্যবসা ভালোই চলছিল। কিন্তুক খাইনডা বাদায় দেলে সরকারের এক অভিযান।
হালি কইরে ভারতের নারী ও শিশু উন্নয়ন দপ্তর ভিক্কেবিরোদী এট্টা অভিযান চালায়। দপ্তরের লক্ক্য ছিল শহরডা ভিক্কুকমুক্ত করা। সেই অভিযানে ঘের খাইলেন মাঙ্গিলাল। ব্যস কোচো খুচতি কেউটো বাইরোনোর দশা।
তেবে মাঙ্গিলালের এই তলশুড়া সম্পদের খবর হইতো অভিযানে আইসতো না, যদি তার পোতিদন্দী আরাক ফকির এই গোমর ফাস না কইরে দিতো। স্বজাতির নেমহারামি যেন গাটির ছুরিতি গাটি কাটার মতোন দশা। ভিক্কের টাকা সুদি খাটায়ে কোটিপতি ! কি সব্বোরাশে কতা কওদিনি বাপু ! আলাম কনে, মলাম যে !
ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন