
বাংলাদেশের ক্রীড়া খাতকে আধুনিক ও শক্তিশালী করতে চীনের বড় ধরনের বিনিয়োগ ও কারিগরি সহযোগিতা চেয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের মধ্যে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এই বিষয়টি উঠে আসে।
সাক্ষাতে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার শুধুমাত্র ক্রিকেট বা ফুটবলে সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের সকল ক্রীড়া ইভেন্টকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ ক্রীড়া ভাতা এবং ডিজিটাল ক্রীড়া কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যা খেলোয়াড়দের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
প্রতিমন্ত্রী চীনের জাতীয় পুরুষ ফুটবল দলকে বাংলাদেশে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান। পাশাপাশি বাংলাদেশের উদীয়মান স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রিতে চীনের সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করেন তিনি। এই ধরনের সহযোগিতা দুই দেশের ক্রীড়া সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রীর প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশের ডিজিটাল ক্রীড়া উদ্যোগ ও খেলোয়াড়দের মাসিক ভাতার কর্মসূচির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং স্পোর্টস ইনস্টিটিউটে বিনিয়োগের ব্যাপারে ব্যাপক আগ্রহ ও আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সাথে চীনের জাতীয় ফুটবল দলের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন তিনি, নিয়মিত ক্রীড়া সরঞ্জাম ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের এই খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রস্তাবিত স্পোর্টস ইনস্টিটিউটে চীনের বিনিয়োগ এবং ভলিবল, আর্চারি ও শুটিংয়ের মতো ইভেন্টগুলোতে দক্ষ চীনা কোচ ও উন্নত প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্তব্য করুন