
আইপিএলে রান বন্যায় ভাসলো মুম্বাই ও কলকাতার ম্যাচ। দুশ রানের চ্যালেঞ্জ অনায়াসে করায়াত্ব করলো মুম্বাই। রান পাহাড় গড়েও তাই জয়ের মুখ দেখা হলো না কলকাতার।
শেষ ৫ ওভারে প্রয়োজন কেবল ১৭ রান। ষোড়শ ওভারের প্রথম চার বলে এক ছক্কা ও টানা তিনটি চারে ম্যাচের ইতি টেনে দিলেন ভিরাট কোহলি। আইপিএলের নতুন আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দারবাদের দুইশ ছাড়ানো রান সহজেই তাড়া করে ফেলল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। রান উৎসবের ম্যাচে ৬ উইকেটে জিতেছে বেঙ্গালুরু। হায়দরাবাদের ২০১ রান তারা পেরিয়ে গেছে ২৬ বাকি থাকতে! পাঁচটি করে ছক্কা ও চারে অপরাজিত ৬৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে দলকে জিতিয়ে ফিরেছেন কোহলি।
এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে জ্যাকব ডাফির চমৎকার বোলিংয়ে শুরুতে চাপে পড়ে যায় হায়দরাবাদ। টানা চার ওভারের স্পেলে জশ হেইজেলউডের কথা মনে করিয়ে দেন নিউ জিল্যান্ডের এই পেসার। আইপিএল অভিষেকে ২২ রানে নেন ৩ উইকেট। তৃতীয় ওভারে বিদায় করেন দুই ওপেনার আভিশেক শার্মা ও ট্র্যাভিস হেডকে। পরের ওভারে নিতিশ কুমার রেড্ডিকে ফেরান ডাফি। তিনে নেমে ঝড় তোলেন ইশান কিষান। আইপিএলে নেতৃত্বের অভিষেকে ৩৮ বলে পাঁচ ছক্কা ও আট চারে তিনি খেলেন ৮০ রানের বিস্ফোরক ইনিংস।
আভিনন্দান সিংয়ের বলে দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে ইশান-ঝড় থামান ফিল সল্ট। মিডল অর্ডারে ২২ বলে ৩১ রানের ইনিংস খেলেন হাইনরিখ ক্লসেন। ফিনিশারের ভূমিকায় বেশ সফল আনিকেত ভার্মা। ১৮ বলে চার ছক্কা ও তিন চারে ৪৩ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন তিনি। ইশান, ক্লসেন ও অনিকেত ছাড়া হায়দরাবাদের আর কেউ যেতে পারেননি দুই অঙ্কে।
রান তাড়ায় শুরুতেই সল্টের উইকেট হারায় বেঙ্গালুরু। ডাফির ইম্প্যাক্ট সাব হিসেবে নেমে ফিল্ডিংয়ে তিনটি ক্যাচ নেওয়া পাডিক্কালের ব্যাটে শুরুর ধাক্কা সামাল দিয়ে এগিয়ে যায় শিরোপাধারীরা। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে পাডিক্কালকে দারুণ সঙ্গ দেন ভিরাট কোহলি। দুই জনে ৪৫ বলে গড়েন ১০১ রানের দুর্দান্ত জুটি। তাদের পাল্টা আক্রমণেই মূলত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় হায়দরাবাদ। ২৬ বলে চার ছক্কা ও সাত চারে ৬১ রানের ইনিংস খেলে ফেরেন পাডিক্কাল।
কোহলির সঙ্গে ৫৩ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক রজত পাতিদার। ১২ বলে তিনি খেলেন ৩১ রানের ছোট্ট কিন্তু কার্যকর ইনিংস। পরপর দুই বলে পাতিদার ও জিতেশ শার্মার বিদায়ে একটু নাটকীয়তার আশা জাগে। তবে টিম ডেভিডকে নিয়ে বাকি পথ অনায়াসে পাড়ি দেন কোহলি।
মন্তব্য করুন