
ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে কারাবাও কাপ ফাইনালে শুরুটা ছিল সমানতালে লড়াইয়ের। প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা না পেলেও ম্যাচে ছিল উত্তেজনা ও সম্ভাবনা। তবে দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র চার মিনিটেই বদলে যায় পুরো চিত্র।
ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে নিকো ও’রাইলি ম্যাচের নায়ক হয়ে ওঠেন। ৬০ মিনিটে আর্সেনালের গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগার ভুলের সুযোগ নিয়ে হেডে প্রথম গোল করেন তিনি। এরপর মাত্র চার মিনিট পর ম্যাথিউস নুনেসের ক্রস থেকে আরেকটি নিখুঁত হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ও’রাইলি।
এই দুই গোলেই কার্যত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়, যেখানে আর্সেনাল আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।
২-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে পেপ গার্দিওলা নতুন ইতিহাস গড়েন। ইংল্যান্ডের এই শিরোপা সবচেয়ে বেশি পাঁচবার জয়ের রেকর্ড এখন তার দখলে।
পুরো ম্যাচে সিটি ছিল বেশি আগ্রাসী ও পরিকল্পিত, যেখানে আর্সেনালের খেলায় ছিল অস্বাভাবিক সতর্কতা। বিশেষ করে গোলকিপার হিসেবে কেপাকে নামানোর সিদ্ধান্তটা উল্টো কাল হয়ে দাঁড়ায় মিকেল আর্তেতার জন্য।
অন্যদিকে সিটির গোলকিপার জেমস ট্র্যাফোর্ড শুরুতেই কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ম্যাচে রাখেন, যা পরে বড় ভূমিকা রাখে।
এই জয়ে শুধু ট্রফিই জেতেনি সিটি—বার্তা দিয়েছে, খারাপ সময়ের পরও বড় ম্যাচে তারা এখনো সবচেয়ে ভয়ংকর দলগুলোর একটি।
আর আর্সেনালের জন্য? ২০২০ সালের পর শিরোপা খরা কাটানোর অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হলো।
মন্তব্য করুন