
হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ থেকে বাদ পড়তে পারেন পাকিস্তানের অভিজ্ঞ ওপেনার ফখর জামান। ১১ থেকে ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য এই সিরিজ ঘিরে তার অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
বিভিন্ন সূত্রের প্রতিবেদনে জানা গেছে, বাঁহাতি এই ব্যাটার বর্তমানে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। ইনজুরি থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের সফরে তাকে না-ও দেখা যেতে পারে।
পাকিস্তান দলের ৯ মার্চ ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সিরিজের তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে—যথাক্রমে ১১, ১৩ ও ১৫ মার্চ।
৩৪ বছর বয়সী ফখর জামান আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হয়ে সীমিত সুযোগ পেয়েছিলেন। তিনি মাত্র দুটি ম্যাচে মাঠে নামেন। গ্রুপ পর্বে নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাচগুলোতে তিনি খেলেননি। পরে সুপার এইটে ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দলে ফেরেন।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি করেন ২৫ রান। আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৪২ বলে ৮৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৯টি চার ও ৪টি ছক্কা।
এদিকে, আঞ্চলিক উত্তেজনা চলমান থাকায় পাকিস্তানের বাংলাদেশ সফর নিয়েও কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ভ্রমণ ঝুঁকি বা নিরাপত্তা পরিস্থিতি না বাড়লে তবেই সিরিজটি আয়োজন করা হবে।
এছাড়া, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড শিগগিরই দলের স্কোয়াড গঠন নিয়ে আলোচনা শুরু করতে পারে। ২০২৭ সালের আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দল পুনর্গঠনের পরিকল্পনাও করছে তারা। ওই বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া।
সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচকরা দলে বড় ধরনের পরিবর্তনের কথা ভাবছেন। ধারাবাহিকভাবে ভালো করতে না পারা কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটারের বদলে নতুন মুখদের সুযোগ দেওয়া হতে পারে।
তবে আপাতত পাকিস্তানের সামনে কোনো টি-টোয়েন্টি সিরিজ না থাকায় এই ফরম্যাটের দলে তাৎক্ষণিক বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।
উল্লেখ্য, পাকিস্তান সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল গত বছরের নভেম্বরে, যখন তারা ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কাকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছিল। সেই সিরিজটি ছিল অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদির নেতৃত্বে দ্বিতীয় ওয়ানডে সিরিজ। এর আগে তার অধিনায়কত্বের অভিষেক হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঘরের মাঠে, যেখানে পাকিস্তান ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল।
মন্তব্য করুন