সোমবার
২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কট:

আইসিসির ক্ষতি হলেও কি শাস্তি এড়াবে পাকিস্তান?

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
আইসিসির কোটি টাকার ক্ষতির শঙ্কা, পাকিস্তান কি নিরাপদ থাকবে?

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত ভারত-পাকিস্তান হাইপ্রোফাইল ম্যাচ এবার হচ্ছে না—এমন খবরেই ক্রিকেট বিশ্বে শুরু হয়েছে তোলপাড়। বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় আইসিসির দ্বিচারিতার প্রতিবাদ জানিয়ে এই ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। আর এতেই প্রশ্ন উঠেছে—এই ম্যাচ না হওয়ায় আইসিসি কত বড় আর্থিক লোকসানের মুখে পড়বে এবং তার প্রভাবই বা কতটা পড়বে পাকিস্তানের ওপর?

ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই শত শত কোটি টাকার সম্প্রচার স্বত্ব, বিজ্ঞাপন ও স্পনসরশিপ আয়। তাই ম্যাচটি না হওয়ায় আইসিসির সম্ভাব্য ক্ষতির অঙ্ক হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে গুঞ্জন উঠেছে, এই সিদ্ধান্তের জেরে পাকিস্তানের ওপর এশিয়া কাপ কিংবা দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেটে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।

তবে অতীতের নজির বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাস্তবতা হয়তো ভিন্ন। ইতিহাস বলছে—পাকিস্তানের আর্থিক ক্ষতি না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার পরপরই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) সংহতি প্রকাশ করে বিশ্বকাপ বয়কটের ইঙ্গিত দেয়। বিষয়টি নিয়ে পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকের পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসে—১৫ ফেব্রুয়ারির ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে মাঠে নামবে না পাকিস্তান।

এখানেই মূল পার্থক্য। এই বয়কটের ঘোষণা দেয় পাকিস্তান সরকার, ক্রিকেট বোর্ড নয়। আর আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, সরকার নির্দেশিত বয়কটকে বোর্ড পর্যায়ের বয়কটের সঙ্গে এক করে দেখা হয় না।

পাকিস্তান কত বড় ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে, তা যাচাই করতে অতীতে ফিরতে হবে। কারণ বৈশ্বিক ইভেন্টে ম্যাচ বয়কটের ঘটনা এটাই প্রথম নয়, আরও আছে। ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ শ্রীলঙ্কা সফর করেনি। নিরাপত্তা ঝুঁকিতে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের অনুমতি দেওয়া হয়নি। আবার ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে সরকারের নির্দেশনা মেনে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করেছিল নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড।

এই চারটি ক্ষেত্রেই আইসিসি সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলোকে কোনো আর্থিক শাস্তি দেয়নি। মূল রাজস্ব পুরোপুরি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। অংশগ্রহণ ফিও দেওয়া হয়েছে এবং কোনো ধরনের দীর্ঘমেয়াদী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি। কারণ এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে তাদের সার্বভৌম সরকারের পক্ষ থেকে। এতে ক্রিকেট বোর্ডগুলোর কোনো ভূমিকা ছিল না। আর সরকার নির্দেশিত বয়কটকে বোর্ড পর্যায়ের বয়কটের চেয়ে ভিন্নভাবে বিবেচনা করে আইসিসি।

একইভাবে ভারত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে পাকিস্তান সরকার একক ভূমিকা রাখায় কোনো ধরনের আর্থিক লোকসানে তাদের না পড়ার সম্ভাবনাই বেশি।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যশোরে জাতীয় পার্টির নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত 

শার্শার বসতপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারি খাদ্য

ইনুর মামলার রায় কাল, সরাসরি দেখবে দেশবাসী

ডুমুরিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

নেইমারকে ছাড়াই জাপানের বিপক্ষে নামছে ব্রাজিল

মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক

অর্থ বিল পাস, যেসব পরিবর্তন এলো 

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

যশোরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

যশোরে পাট পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি বিষয়ক মতবিনিময় সভা

যশোরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক সেমিনার  

যশোরে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস পালিত

মহেশপুরে গাজীরননেছা বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

মোরেলগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে নারিকেল চারা ও কৃষি প্রণোদনা বিতরণ

শৈলকুপায় পাঁচ দিনের ব্যবধানে দুই কিশোরের মৃত্যু

সুনামগঞ্জ পৌরসভায় ৫৪ কোটি ১৫ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

মণিরামপুরে সেতুর কাজ থমকে, দুর্ভোগে ২০ গ্রাম

আগামী ইউপি নির্বাচন ঘিরে মণিরামপুরে বিএনপির ঐক্যের শপথ

নড়াইলে গণতন্ত্র অলিম্পিয়াড, অংশ নিলেন ২৭৫ শিক্ষার্থী

যশোর নওয়াপাড়ায় কৃষক দলের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

X