
ত্রিদেশীয় সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয়ের জন্য শেষ ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল মাত্র ১০ রান। কিন্তু শ্রীলঙ্কার পেসার দুশমন্থ চামিরার দুর্দান্ত বোলিং সেই সমীকরণ পূরণ করতে দিল না। স্বাগতিক অধিনায়ক সালমান আলি আগা শেষ ওভারে নিতে পারেন মাত্র ৩ রান, ফলে ৬ রানের হতাশাজনক পরাজয় বরণ করতে হয় পাকিস্তানকে।
শেষ ওভারের আগে অপরাজিত ৪২ বলে ৬২ রানে থাকা সালমান চামিরার চাপ সামলাতে ব্যর্থ হন। একই সময়ে আউট হন ফাহিম আশরাফ। ফাইনালের আগে এ হার পাকিস্তানের জন্য বড় ধাক্কা।
এই ম্যাচের ফলাফলের দিকে নজর ছিল জিম্বাবুয়েরও। পাকিস্তান জিতলেই তাদের ফাইনালের আশা টিকে থাকত। কিন্তু পাকিস্তানের ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের সম্ভাবনা নিভে যায়।
তবুও অসাধারণ ইনিংস খেলেছেন সালমান আলি আগা। ৪৪ বলে ৬৩ রানে অপরাজিত থাকার পরও দলকে জেতাতে পারেননি তিনি। ২৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ব্যাটিংয়ে নেমে দায়িত্ব নিয়ে ইনিংস টেনে আনলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংস শুরুতেই চাপে পড়ে। শাহিবজাদা ফারহান শূন্য রানে চামিরার শিকার হন। সাইম আইয়ুব (২৭) ও ফখর জামান (১) দ্রুত ফেরেন। মাত্র ৪৩ রানে ৪ উইকেট হারায় পাকিস্তান।
এরপর উসমান খান ৩৩ রান করে সালমানকে সঙ্গ দিলেও দলীয় ৯৯ রানে তিনিও আউট হন। সেখানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বড় বিপাকে পড়ে স্বাগতিকরা।
মাঝের ধস সামাল দিতে সালমান আলি আগা ও মোহাম্মদ নওয়াজ গড়েন ৭০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। নওয়াজ ২৭ রান করে আউট হন দলীয় ১৬৯ রানে। তখন পাকিস্তানের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ১৬ রান, হাতে ছিল ১০ বল।
সেই ওভারে ১২ রান তুলেও শেষ ওভারের ১০ রানের লক্ষ্য মেলাতে পারেনি পাকিস্তান। চামিরার নিখুঁত বোলিংয়ে হার মানে আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করা দলটি।
শ্রীলঙ্কার হয়ে দুশমন্থ চামিরা ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন। তাকে সহায়তা করে ইশান মালিঙ্গার ২ উইকেট ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার ১ উইকেট।
এর আগে পাকিস্তানের আমন্ত্রণে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কা তোলে ৫ উইকেটে ১৮৪ রানের বড় সংগ্রহ।
প্রধান রান–সংগ্রাহকরা: কামিল মিশারা ৭৬ (ঝোড়ো ইনিংস), কুশল মেন্ডিস ৪০, জানিত লিয়ানেজ ২৪।
পাকিস্তানের হয়ে আবরার আহমেদ ২ উইকেট, সালমান মির্জা ও সাইম আইয়ুব নেন ১টি করে উইকেট।
মন্তব্য করুন