
মাগুরায় ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে জনজীবন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রা ও শিশুদের স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব পড়েছে।
গত সপ্তাহে শুরু হওয়া হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় মানুষের দৈনন্দিন জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও জেলার সড়কগুলোতে যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে।
টানা কয়েক দিনের তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শিশু, নারী ও বয়স্করা। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে নিম্ন আয়ের ও দুস্থ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। শীত নিবারণের জন্য নিম্ন আয়ের মানুষদেরকে শহরের বিভিন্ন পুরাতন কাপড়ের দোকানে ভিড় করতে দেখা গেছে। কেউ কেউ শহরের মোড়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
সদর হাসপাতালে শিশু ও বৃদ্ধ রোগীদের ভিড় আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের চিকিৎসক কৃষ্ণপদ বিশ্বাস জানান, শীতে প্রচুর শিশু ও বৃদ্ধ শ্বাসকষ্ট এবং ডায়রিয়াজনিত অসুস্থতায় হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, “শিশু ও বৃদ্ধদের বাড়িতে বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।”
মাগুরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. তাজুল ইসলাম জানান, মাগুরা কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকায় মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ৬ জানুয়ারি সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৫° সেলসিয়াস। এই সময়ে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, চলতি সপ্তাহে জেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন