
কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস এবং ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ঝিনাইদহ জেলার দুই পরিবারের দুই জনও রয়েছেন।
মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর গ্রামের সোনালি বেগম (৫০) ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। তার স্বামী ইমামুল ইসলাম (৫৮) এবং তাদের মেয়ে আয়েশা (৭) আহত হয়েছেন। তারা নোয়াখালীর বড় ছেলের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন।
অন্যদিকে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়নের পানামী গ্রামের মুক্তার হোসেনের ছেলে জোহাদ হোসেনও দুর্ঘটনায় নিহত হন। তিনি ঈদের নামাজ শেষে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ রোববার ভোর আনুমানিক ৩টা ১০ মিনিটের দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস রেলক্রসিং অতিক্রম করার সময় ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজ চালায়। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ঝিনাইদহের বিভিন্ন এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের স্বজনদের আহাজারিতে এলাকাজুড়ে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ।
মন্তব্য করুন