
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ৬ নারীকে পাচারের চেষ্টা। ৪৮ জনকে আসামী করে মহেশপুর থানায় পৃথক ৪টি মামলা দায়ের, ৩ জন দালাল আটক।
মহেশপুর থানা সূত্রে জানা যায়,গত ৯/০৩/২৬ ইং তারিখে মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় সীমান্তে দিয়ে ভারতে পাচারের সময় যশোর জেলার কোতয়ালি থানার জামরুলতলা গ্রামের এক নারীকে পুলিশ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে ১৬ জনকে আসামী করে মহেশপুর থানার একটি মামলা হয়েছে। যার নাম্বার ১৮তাং-০৯/০৩/২৬ এবং ১ দালালকে আটক করে। সে মহেশপুর থানার তালশার গ্রামের মৃতঃ আঃ কাদের বিশ্বাসের ছেলে আলমগীর বিশ্বাস। তার পর পাচারচক্র নরসিংদী জেলার পলাশ থানার ডাংগা গ্রামের বিলকিস (ছদ্ম নাম) ও তার বান্ধবীকে ৪ দিন আটক থাকার পর ২১ ফেব্রুয়ারি পাচারের চেষ্টা করলে তাদের ২ জনকে ৫৮-বিজিবির কুমিল্লা পাড়ার টহল দল উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে মহেশপুর থানার ১ টি মামলা হয়। যার মামলা নাম্বার ৫-তাং-৩/০৩/২৬ ইং। তার পর গত ০৩/০৩/২৬ ইং তারিগে ঢাকার ফকিরাপুল বসবাসরত খোরশেদ আলী স্ত্রী ময়না ছদ্ম নামে ১ জনকে উপজেলা কাজিরবেড় ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রাম থেকে ৯৯৯ খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। তার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ১টি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় পাচারচক্র।
এ বিষয়ে মহেশপুর থানার ১০ জনকে আসামী করে একটি মামলা হয়েছে। যার নাম্বার ৭ তাং-৪/০৩/২৬। এর আগে গত ২১/০২/২৬ ইং তারিখে উপজেলার মাটিলা সীমান্ত থেকে ভিকটিম আসিয়া ছদ্ম নামে ১ জনকে উদ্ধার করে এবং ছমির নামে ১ দালালকে আটক করে পুলিশ। উক্ত ভিকটিমের বাড়ি ঝলাকাঠী জেলার মঠবাড়িয়া।
এই ঘটনায় মহেশপুর থানায় ৯ জনকে আসমী করে ১ মামলা হয়েছে। যার নাম্বার ২৫ তাং-২২/০২/২৬ ইং। এবিষয়ে মহেশপুর থানার ওসি বলেন,ভিকটিমদের বর্ণনা মতে মানবপাচার আইনে ৪টি পৃথক মামলা হয়েছে। প্রায় অর্ধশত আসামী এর মধ্যে ২ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের আটকের চেষ্টা চলছে। ৫৮-বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল রফিকুল আলম বলেন,সীমান্তে পাচাররোধে সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
মন্তব্য করুন