
ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় গত ছয় মাসে নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, হত্যা এবং অপমৃত্যুর ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সময়ে সদর উপজেলায় মোট ২৪৩টি মামলা দায়ের হয়েছে, যা স্থানীয় সমাজের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর শঙ্কার জন্ম দিয়েছে।
মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে ৯০টি অপমৃত্যু, ২২টি নারী ও শিশু নির্যাতন, ১২টি হত্যা, ৪টি ধর্ষণ মামলা। এছাড়াও মানবপাচার, পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত অপরাধ এবং অপহরণের মতো গুরুতর অপরাধের ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের ওয়েলফেয়ার এফোর্টস (উই)-এর প্রশিক্ষণকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরে উপজেলা জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি ফোরাম।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)-এর সহযোগিতায় ওয়েলফেয়ার এফোর্টসের আয়োজনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বলেন, নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, ধর্ষণ, হত্যা ও অপমৃত্যুর মতো অপরাধ কেবল ভুক্তভোগীর জীবনকেই বিপর্যস্ত করে না, বরং সমাজের সার্বিক শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে।
এ অবস্থায় ভবিষ্যতে নারী ও শিশুদের প্রতি যেকোনো ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি ফোরামের সভাপতি ময়না খাতুন, ওয়েলফেয়ার এফোর্টসের পরিচালক শরিফা খাতুন, এমপাওয়ারহার প্রকল্পের ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস মনিটরিং অফিসার কুতুব উদ্দিনসহ উপজেলা পর্যায়ের ফ্যাসিলিটেটরগণ।
মন্তব্য করুন