
স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১২০ টাকা ফি প্রদান করে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে যশোর জেলা থেকে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে প্রাথমিকভাবে ৫২ জন মেধাবী প্রার্থী নিয়োগ পেয়েছেন। শনিবার সকাল ৯টায় যশোর পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে বাংলাদেশ পুলিশ ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন যশোর জেলার পুলিশ সুপার ও নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম। পরে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল ৪টায় প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন পুলিশ সুপার।
এ সময় পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও নিরপেক্ষতার মাধ্যমে ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হয়েছে। এখানে কোনো ধরনের তদবির, অনিয়ম বা পক্ষপাতের সুযোগ ছিল না। প্রতিটি প্রার্থীকে তাদের মেধা, শারীরিক সক্ষমতা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়েছে। যারা আজ প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে, তারা সম্পূর্ণ নিজেদের পরিশ্রম ও যোগ্যতার মাধ্যমেই নির্বাচিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দিতে হলে শুধু শারীরিক শক্তি নয়, সততা, শৃঙ্খলা ও মানসিক দৃঢ়তাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উত্তীর্ণ প্রার্থীরা ভবিষ্যতে এই মূল্যবোধ ধারণ করে দেশ ও জনগণের সেবায় কাজ করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। অকৃতকার্য প্রার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, হতাশ না হয়ে আরও ভালো প্রস্তুতি নিয়ে ভবিষ্যতে আবারও চেষ্টা করতে হবে। সাফল্য অর্জনের জন্য অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই। এ সময় নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্যসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।
বিনা টাকায় চাকরি পাওয়া অর্ঘ্য কুমার দে’র কাকা পিন্টু দে জানান, কোনো ধরণের ঘুস দেওয়া লাগেনি। বিনা টাকায় অর্ঘ্যর চাকরি হয়েছে। এতে তারা খুবই খুশি। এজন্য তারা পুলিশ সুপারসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন