
স্বর্ণ চোরাচালানের মামলায় লিয়াকত আলী বাবু নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে যশোরের একটি আদালত। এ মামলার অপর আসামি জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। বুধবার অতিরিক্ত দায়রা জজ ও স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক ওয়াসিম শেখ এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত লিয়াকত বেনাপোলের দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি বর্তমানে কারাগারে আটক আছেন।
মামলার অভিযোগে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২১ জানুয়ারি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোলের দৌলতপুর ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা গ্রামের একটি কাঁচা রাস্তায় অবস্থান নেন। এ সময় ভারতের দিকে যাওয়ার পথে সন্দেহজনকভাবে লিয়াকত আলীকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে কোমরে বিশেষ কায়দায় বেল্টের সঙ্গে বাঁধা ১১টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়, যার ওজন ছিল ১১ ভরি। এ ঘটনায় বিজিবির সুবেদার আব্দুল জলিল বাদী হয়ে আটক লিয়াকত ও পলাতক জিয়াউরের বিরুদ্ধে বেনাপোল পোর্ট থানায় চোরাচালান দমন আইনে মামলা করেন। তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শরিফ হাবিবুর রহমান লিয়াকত আলী বাবুকে অভিযুক্ত করে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ না পাওয়ায় অপর আসামি জিয়াউর রহমানের অব্যাহতি চেয়ে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তবে চার্জ গঠনের সময় আদালত দুজনকেই অভিযুক্ত করে চার্জ গঠন করেন।
দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি লিয়াকত আলী বাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। অপর দিকে এ মামলার অপর আসামি জিয়াউর রহমানের খালাস প্রদান করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন