মঙ্গলবার
৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
কেশবপুরে সিলগালা ‘মিনি মেডিকেল কলেজ’

ফের চালু করতে তদবিরে ব্যস্ত চেয়ারম্যান !

কাগজ সংবাদ
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ০৯:৪৯ পিএম
প্যারামেডিকেল এন্ড টেকনোলজি ফাউন্ডেশন (পিটিএফ)

যশোর স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযানে বন্ধ হওয়া ‘মিনি মেডিকেল কলেজ’ নামে পরিচিত বহুল বিতর্কিত প্যারামেডিকেল এন্ড টেকনোলজি ফাউন্ডেশন (পিটিএফ) সিলগালার পর বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান পরিচয়দানকারী আবুল কালাম আজাদ ইকতিয়ার। অভিযোগ উঠেছে, কেশবপুরের ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন নেতা ও যশোর শহরের একটি সাংবাদিক মহলকে ব্যবহার করে তিনি সিভিল সার্জন অফিসে তদবির চালাচ্ছেন।

গত ১০ মার্চ সিভিল সার্জন ডা. মাদুন রানা, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নাজমুস সাদিক রাসেল, কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেহেনেওয়াজ রনিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের অনুমোদনের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। পরে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয়। একই সঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র নিয়ে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তবে অভিযোগ রয়েছে, আবুল কালাম আজাদ ইকতিয়ার সরাসরি হাজির না হয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে স্বাস্থ্য বিভাগে উৎকোচ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় চালুর চেষ্টা করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৬ সালে খুলনার জয়েন্ট স্টক (যৌথ মূলধনি কোম্পানি) থেকে ‘প্যারামেডিকেল এন্ড টেকনোলজি ফাউন্ডেশন (পিটিএফ)’ নামে প্রাথমিক অনুমতি নিয়ে কেশবপুর শহরের থানার পাশের মাইকেল মোড়ে একটি বাসা ভাড়া করে অফিস খোলেন ইকতিয়ার। যার রেজিস্ট্রেশন নম্বর-৪৪৩/২০১৬। পরে সেখানে পিটিএফের কেন্দ্রীয় হেড অফিসের সাইনবোর্ড টানিয়ে ডিএমএফ, ডিএমএ, ডিএমএস, ডিএইচএমসি, ডিএনএ, প্যাথলজি, আল্ট্রাসোনোগ্রাফি, এক্স- রে’সহ ৫৬ টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ ও সনদ দেওয়ার নামে কার্যক্রম শুরু করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন মিডিয়া ও লিফলেটের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় চটকদার প্রচারণা চালিয়ে বেকার যুবকদের আকৃষ্ট করা হয়। পরে প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রশিক্ষণ বাবদ ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করে ডাক্তারি ও বিভিন্ন ট্রেডের সনদ দেওয়া হচ্ছিল।

এর আগেও কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন পিটিএফে অভিযান চালিয়ে জাল সনদ বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আবুল কালাম আজাদ ইকতিয়ারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন এবং প্রতিষ্ঠানটি বন্ধের নির্দেশ দেন। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে গোপনে প্রতারক চক্রটি আবারও জাল সনদ বিক্রি চালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেহেনেওয়াজ রনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়েছে। বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কোনোভাবেই উপজেলায় এ ধরনের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না। বিষয়টি সিভিল সার্জন স্যার দেখছেন। এ ব্যাপারে বক্তব্যের জন্য প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান পরিচয়দানকারী আবুল কালাম আজাদ ইকতিয়ারকে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১১ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস নাটক, জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় ব্রাজিল

কাসেমিরোর গোলে স্বস্তি, জাপানের বিপক্ষে সমতায় ফিরল ব্রাজিল

সেলেসাওদের স্তব্ধ করে জাপানের গোল, শুরুতেই পিছিয়ে পড়ল ব্রাজিল

যশোরে জাতীয় পার্টির নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত 

শার্শার বসতপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারি খাদ্য

ইনুর মামলার রায় কাল, সরাসরি দেখবে দেশবাসী

ডুমুরিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

নেইমারকে ছাড়াই জাপানের বিপক্ষে নামছে ব্রাজিল

মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক

অর্থ বিল পাস, যেসব পরিবর্তন এলো 

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

যশোরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

যশোরে পাট পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি বিষয়ক মতবিনিময় সভা

যশোরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক সেমিনার  

যশোরে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস পালিত

মহেশপুরে গাজীরননেছা বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

মোরেলগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে নারিকেল চারা ও কৃষি প্রণোদনা বিতরণ

শৈলকুপায় পাঁচ দিনের ব্যবধানে দুই কিশোরের মৃত্যু

সুনামগঞ্জ পৌরসভায় ৫৪ কোটি ১৫ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

মণিরামপুরে সেতুর কাজ থমকে, দুর্ভোগে ২০ গ্রাম

X