মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
এহসান চক্রের অভিযুক্তরা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন

সুরাহা হয়নি সেই ৩শ’ কোটি টাকার

দেওয়ান মোর্শেদ আলম
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ১০:০২ এএম
এহসান চক্রের অভিযুক্তরা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, সুরাহা হয়নি সেই ৩শ’ কোটি টাকার

# ১০ বছর পথচেয়ে আছে ১০ হাজার গ্রাহক # মাল ক্রোকের নিদের্শনাও তামিল হচ্ছে না # যশোরে অভিযুক্ত চক্রের নামে ৩৫ মামলা # জামিনে আসা ১৪ আসামি হুমকি দিচ্ছেন

যশোরাঞ্চল থেকে আল এহসান চক্রের হাতিয়ে নেয়া সেই ৩শ’ কোটি টাকার বিষয়ে এখনও কোনো সুরাহা হয়নি। ক্ষুদ্র বড় মিলিয়ে ১০ হাজার গ্রাহককে পথে বসিয়ে টাকা আত্মসাৎ করা এহসান চক্রের প্রথম সারির অভিযুক্ত ২৮ জনের কেউ পালাতক, আবার কেউ নতুন নতুন ফন্দি ফিকিরিতে ব্যস্ত। শ’ শ’ পরিবার পথ চেয়ে আছেন ওই টাকার অপেক্ষায়। ১০ বছর চলমান যশোরে করা ৩৫টি মামলা। অভিযুক্তদের কারো বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট, কারো মাল ক্রোকের নির্দেশনা দেয়া হলেও পুলিশ নির্দেশনা তামিল করছে না। যে কারণে হতাশা উৎকণ্ঠায় সময় কাটছে ভুক্তভোগী গ্রাহকদের। আবার অনেকে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন আইনীভাবে। তাঁদের মধ্যে একজন যশোর শহরের বেজপাড়ার প্রতিবাদী শামসুর রহমান গোলদার কঠিন শাস্তি চান ওই মুখোশধারী অপরাধী চক্রের, যারা ১০ হাজার মানুষকে বোকা বানিয়ে নিজেদের আখের গুছিয়ে এখন লাপাত্তা। দৈনিক গ্রামের কাগজ দপ্তরে এসে প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের অনেকে তাদের চরম দৈশদশার কথা তুলে ধরেছেন। এদিকে বিভিন্ন মামলায় জামিনে আসা প্রধান আসামি মুফতি আবু তাহের নদভীসহ ১৪ আসামি বাদী ও স্বাক্ষীদের হুমকি দিচ্ছেন বলেও তথ্য মিলেছে। মামলা, চার্জশিট, জিডি ও ভুক্তভোগীদের সূত্রে তথ্য মিলেছে, এহসান গ্রুপের এহসান রিয়েল এস্টেট এন্ড ডেভলপমেন্ট লিমিটেড, এহসান সোসাইটি ও এহসান ইসলামী মাল্টিপারপাস যশোরের গ্রাহকদের ৩শ’২২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে মর্মে অভিযোগ ১০ বছর আগের। লগ্নিকারী সংগ্রাম কমিটির তালিকা, পাশ বই, চেক বই ও টালি খাতার হিসেবে ওই টাকা যশোরাঞ্চলের ১০ হাজার গ্রাহকের। এহসান গ্রুপের এহসান এস বাংলাদেশ ও রিয়েল এস্টেটের চেয়ারম্যান নামধারী চট্টগ্রামের মূফতি আবু তাহের নদভী ও প্রধান নির্বাহী ব্যবস্থাপক মাগুরার কাজী রবিউল ইসলামসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মূল অভিযোগ। এহসানএস বাংলাদেশ ২০০৮ সালে নানা উদ্যোগের কথা বলে যশোরাঞ্চলে যাত্রা শুরু করে এহসান ইসলামী মাল্টিপারপাস কোঅপারেটিভ সোসাইটি এবং এহসান ইসলামী রিয়েল এস্টেট লিমিটেড ও এহসান সোসাইটি ৩ নামে। যশোর কেতোয়ালি থানা মোড়ে শাখা খুলে ২০১২ সালে প্রতারণায় লিপ্ত হয় সংঘবদ্ধ চক্র। ব্যাংকের টাকা রেখে সুদ নেয়া মহাপাপ, তাই সুদ বিহীন ব্যবসার ধুয়ো তুলে মাসে এক লাখে ১৬শ’ টাকা মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা জমা নিতে থাকে। এ কাজে তারা যশোরের বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের কাজে লাগায়। ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাধ্যমে শরিয়া মতে ব্যবসার কথা বলে এবং ইহকাল পরকালের কথা বলে তাদের উদ্বুদ্ধ করেন। পরে ৩শ’ কোটি টাকা হাতিয়ে সটকে পড়ে এহসান এসের দুটি গ্রুপের প্রতারক চক্র। এ ঘটনায় যশোরাঞ্চলে প্রতারণার ঘটনায় ৩৫ টি মামলা করে। সর্বশেষ কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা হয় সরাসরি পিবিআই যশোরের হস্তক্ষেপে। মামলা নাম্বার ৮৪। মামলায় আসামি করা হয় ২৮ জনকে। এরা হচ্ছেন এহসান রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নিশ্চিন্তপুরের মুফতি আবু তাহের নদভী, নির্বাহী পরিচালক মাগুরা সদর উপজেলার সাজিয়ারা গ্রামের বাসিন্দা কাজী রবিউল ইসলাম, ব্যবস্থাপক মাগুরা সদর উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা জুনায়েদ আলী, পরিচালক মাগুরা সদর উপজেলার রাউতলা গ্রামের বাসিন্দা আজিজুর রহমান, পরিচালক কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার লক্ষীধরদিয়াড় গ্রামের বাসিন্দা মঈন উদ্দিন, পরিচালক খুলনার লবনচরা হরিণটানা রিয়াবাজার এলাকার বাসিন্দা মুফতি গোলাম রহমান, পরিচালক গাজীপুরের টঙ্গী উপজেলার চড়মাটিন এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মতিন, মহাপরিচালক (প্রশাসন) সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার খুবদিপুর এলাকার বাসিন্দা আমিনুল হক, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লিচুবাগান জামালকান রোডের বাসিন্দা কলিমুল¬াহ কলি, পরিচালক খুলনার খানজাহান আলীর শিরোমনি এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমান, যশোর সদর উপজেলার রামনগর গ্রামের বাসিন্দা মুফতি ইউনুস আহম্মেদ, খুলনার পাইকগাছা উপজেলার মরল এলাকার বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম, মাগুরা সদর উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা আইয়ুব আলী, যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার ধান্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সামসুজ্জামান টিটু, ব্যবস্থাপক (যশোর শাখা) মাগুরা সদর উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা আতাউল¬াহ, কেশবপুর উপজেলার বেতিখোলা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হালিম, মাঠকর্মী যশোরের কারবালা রোডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম সোনামিয়াসহ ২৮ জন। এদের বিরুদ্ধে প্রমাণাদি পাওয়া গেছে বলে তথ্য মিলেছে। এছাড়া পিবিআই যশোরের তদন্তে এরা ধরাশায়ী হচ্ছেন বলেও সূত্রের দাবি। দ্রুতই ওই চক্রের ২৮ জনের বিরুদ্ধে বেশির ভাগের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়েছে পিবিআই যশোরের পক্ষে। এদিকে, লভ্যাংশ দেয়ার নামে সাত লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অপর একটি ঘটনায় আল এহসান রিয়েল স্টেট সোসাইটি এন্ড ডেভলপমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহা ব্যবস্থাপকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। যশোরের বেজপাড়ার মৃত ইব্রাহিম গোলদারের ছেলে শামসুর রহমান গোলদার মামলাটি করেন। আসামি করা হয় মাগুরার শিমুলিয়ার মৃত রজব আলীর ছেলে রিয়েল এস্টেটের মহা ব্যবস্থাপক মুফতি মাওলানা জুনায়েদ, মাগুরা সদরের সাজিয়াডাঙ্গা গ্রাামের মৃত কাজী মহিউদ্দিনের ছেলে নির্বাহী প্রধান ব্যবস্থাপক কাজী রবিউল ইসলাম, চট্টগ্রাম পটুয়া এলাকার মৃত নজির আহমেদের ছেলে কোম্পানীর চেয়ারম্যান মুফতি মাওলানা আবু তাহের নদবী, মুফতি গোলাম রহমান, মুফতি মাওলানা আমিনুল হক, মাগুরার মাওলানা আলী আকবরের ছেলে ব্যবস্থাপক আতাউর রহমান, যশোরের শেখহাটি জামরুল তলার মাঠকর্মী ইয়াকুব্বরের ছেলে বাবুর আলী, মৃত গোলাম রব্বানীর ছেলে আব্দুল হকসহ ১৩ জনকে। ওই মামলায় চার্জশিট হয়েছে। আসামিরা নিজেদের বড় মাপের আলেম পরিচয় দিয়ে এহসান এস ইসলামী মাল্টিপারপাস কোঅপারেটিভ সোসাইটি এবং রিয়েল স্টেট সোসাইটি এন্ড ডেভলপমেন্ট লিমিটেড নামে কোম্পানি গঠন করেন এবং সাধারণ মানুষকে টাকা বিনিয়োগ করে শেয়ার দেয়ার নামে প্রতারণা করেন। মামলার প্রধান ৪ আসামি পলাতক রয়েছেন। তাদের মালামাল ক্রোকের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে আদালত থেকে। এরা হচ্ছেন নির্বাহী প্রধান ব্যবস্থাপক কাজী রবিউল ইসলাম, মহা ব্যবস্থাপক মুফতি মাওলানা জুনায়েদ, ব্যবস্থাপক মুফতি আতাউল্লাহ ও মুফতি মাওলানা আমিনুল হক। ভুক্তভোগী প্রতিবাদী শামসুর রহমান জানিয়েছেন, তিনি ঘটনায় জড়িত চক্রের কঠিন শাস্তি দেখতে চান। মামলা করেও ১০ বছরেও কোনো সুরাহা পেলেন না। তার মত ১০ হাজারের বেশি গ্রাহক এখনও চোখের জল ফেলে সময় কাটাচ্ছেন। টাকার শোকের ১৩ জন লগ্নিকারী মারাও গেছেন। মামলা করেও তিনি নিজে বিভিন্ন সময়ে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়েছেন। টাকা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে ভয়ভীতি ও হুমকি দেখানো হয়েছে। অভিযুক্তদের একটি অংশ যশোর উপশহর খাজুরা বাসস্ট্যান্ড এলাকার পথকলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি বৈঠকে হুমকি প্রদর্শন করে। এ ঘটনায় তিনি ৪০৬/৪২০/৩২৩/৫০-৬/১৮৬০ পেনাল কোডের ধারায় আরো একটি এজাহার দেন। ভুক্তভোগীদের মধ্যে যশোরের ভেকুটিয়ার কোহিনুর বেগম, ভাতুড়িয়ার মঞ্জিলা বেগম ও চাঁচড়ার মৃত রহিমা খাতুনের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মামলা লড়ছেন ১০ বছরেরও বেশি। টাকার জন্য অপেক্ষা করছেন তারা। কিন্তু সবই শূণ্যতে। আবার অভিযুক্তরা সবাই রয়েছেন বহাল তবিয়তে। কেউ আত্মগোপনে। কোটি কোটি টাকা তাদের পকেটে, আর অর্ধাহারে অনাহারে সময় কাটছে অনেক লগ্নিকারী গ্রাহকের। ভুক্তভোগীদের মধ্যে হামিদপুর এলাকার কামরুজ্জামান, রূপদিয়া এলাকার শের আলী, বারান্দীপাড়া এলাকার বিধবা আমিরুননেছা, বাসিন্দা কুলসুম বেগম, পুরাতন কসবা মিশনপাড়ার আফসার উদ্দিন, সীতারামপুরের আবুল কালাম, বালিয়া ভেকুটিয়া এলাকার মোহাম্মদ হানিফ, বারান্দীপাড়ার আমিনুন্নেছা, রাজারহাট এলাকার শাহাজাদী বেগম, বারান্দীপাড়ার আলেয়া বেগম, পূর্ববারান্দী মাঠপাড়ার নাছিমা খাতুন, একই এলাকার রায়হানুল ইসলাম, নাজির শংকরপুর এলাকার তরিকুল ইসলাম, আব্দুর রশিদ, বিলকিস, শিরিনা আক্তার, সেলিনা খাতুন, সাদিকুল ইসলাম, পারভীনসহ শ’শ’ লগ্নিকারী ও তাদের পরিবারের লোকজন এখনও পথ চেয়ে আছেন ওই টাকা ফেরতের আশায়। এ ব্যাপারে বারান্দীপাড়ার মফিজুল ইসলাম ইমন নামে একজন ভুক্তভোগী লগ্নিকারী জানিয়েছেন তিনিসহ অনেকেই গ্রাহকদের পক্ষে কাজ করছেন। তিনি নিজের ও অনেকের টাকা জমা দিয়েছিলেন। ১০ বছর সংগ্রাম করছেন। টাকা তুলতে পারেননি। ঢাকার প্রতারকেরা মোবাইল ফোন বন্ধ করে আছে। ঢাকায় গেলে ভাড়াটে মাস্তান দিয়ে হুমকি দেয়া হয়। যশোরের প্রতারক চক্রগুলো রয়েছে, নিজেদের বুঝ বুঝে চুপ আছে। কেউ অপহরণ করার হুমকি দিয়েছে। আদালতে স্বাক্ষী দিতে গেলে প্রাণে মারার হুমকি দেয়া হচ্ছে বাদী ও স্বাক্ষীদের। এ ব্যাপারে জিডি নাম্বার ৯৭২। মানুষের বিশ^াসের সুযোগ নিয়ে ইসলামী আর্দশের সাথে বেঈমানী করে তিনশ’ কোটি টাকা পকেটে নিয়ে অধিকাংশ প্রতারক আত্মগোপনে। গ্রাহকদের একাট্টা দাবি, প্রতারণার শিকার গ্রাহকদের টাকা ফিরিয়ে দেয়া হোক, আর কঠোর সাজা হোক আমানত খেয়ানতকারীদের। এ ব্যাপারে মামলার সরকারি কৌশুলী অ্যাডভোকেট মুনসুর আলী জানিয়েছেন, মামলার চার্জশিট হয়ে গেছে। আসামি কেউ পলাতক কেউ জামিনে। এ ব্যাপারে আইনগত কার্যক্রম এগিয়ে চলেছে। এদিকে এসব ব্যাপারে কথা বলার জন্য প্রতারক আখ্যায়িত এহসানের এমডি জুনায়েদ আলী ও এমডি রবিউল ইসলামের নাম্বারে কয়েক দফা যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উত্তাল বঙ্গোপসাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঘুসের টাকা গুনে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, বাগমারা থানার পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

মহম্মদপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশকে নতুন সিল

রামিসা হত্যা: সোহেল ও স্বপ্না ‘কনডেম সেলে’

কেশবপুরে শরীকানা পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ

রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

পাবনায় হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, নিহত ৩

রাজশাহীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

ফের বাড়ল তেলের দাম

বিশ্বকাপ ইতিহাসে পেনাল্টি গোলের রেকর্ডে লিওনেল মেসি

দেশে ফিরলেন ৪৫১৫৮ হাজি, মৃত্যু ৪৯

নওগাঁয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ সুপারের সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা

যশোরে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা, চাকু উদ্ধার

কালীগঞ্জে সর্বত্র মাদকের রমরমা ব্যবসা / হুমকির মুখে যুবসমাজ, আতঙ্কে অভিভাবকরা

২০২৬-২৭ বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে

দেশের ১৪ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

নড়াইলে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার, ২ মাসের কারাদণ্ড

স্ত্রীকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে!

আদিতমারীতে তুচ্ছ বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, কিশোর নিহত

X