
যশোর সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সনদধারী (সনদ নাম্বার ১৪১) দরিলল লেখক সফিয়ার রহমানকে ঘিরে তুমুল হৈচৈ শুরু হয়েছে।
পাবলিকের সাথে প্রতারণা কওে দলিলের জাল নকল সরবরাহসহ নানাবিধ অপকান্ডে জড়িয়ে পড়েছেন তিনি। ভাল মানুষ সেজে দলিলের নকল তুলে দেয়ার নামে টাকা হাতিয়ে ধরিয়ে দিচ্ছেন জাল নকল। অফিসের বিভিন্ন সিল সাক্ষর জাল করে এই জাল দলিল সরবরাহ করার ঘটনায় তার কঠিন শাস্তি দাবি করেছেন কয়েক ভুক্তভোগী।
তথ্য মিলেছে, যশোর সদর উপজেলার ২২ নাম্বার চান্দুটিয়া মৌজায় কবলা দলিলমূলে ২২ শতক জমি কেনেন চান্দুটিয়া ছোট গোবিন্দপুরের মৃত সায়েদ আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান। ২০২০ সালে ও ১৬ জুলাই ওই দলিল রেজিস্ট্রি হয়। সম্প্রতি টাকার প্রয়োজন হওয়ায় ওই জমি বিক্রি কর জন্য দলিলের নকল প্রয়োজন হয় তার। হাবিবুর রহমান দলিলের নকল উঠানোর জন্য দলিল লেখক সফিয়ার রহমানের কাছে এক হাজার ৫শ টাকা দেন। কিন্তু প্রতারকরুপি সফিয়ার রহমান টাকা হাতিয়ে দলিলের একটি জাল নকল থরিয়ে দেন হাবিবুর রহমানের হাতে। আর সরল বিশ্বাসে ওই জাল নকল দিয়ে হাবিবুর রহমান ৩০ এপ্রিল জমি বিক্রি করে নতুন দলিল করতে যান। এসময় রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানানো হয় ওটা জাল নকল, সেরেফ ভুয়া। আটকে যায় জমি রেজিস্ট্রি।
এব্যাপারে ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমান গ্রামের কাগজকে জানিয়েছেন আপাদমস্তক প্রতারক ওই সফিয়ারে (১৪১ নাম্বার সনদধারী) বাড়ি তার নিজের এলাকায়। অনেকটা প্রতিবেশি বলতে পারেন। এরপরও এতবড় জালিযাতি করা হলো তার সাথে। তার দাবি হয়তোবা সফিয়ার মহুরির কাজই প্রতারণা। আরো অনেকের সাথেই হয়তো ওটা করেছে। যাদের ঘরে সফিয়ারের দেয়া নকল আছে সেগুলোও হয়তোবা সবই ভুয়া। এব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে দ্রুত সফিয়ারকে আটক ও শাস্তি দাবি করেছেন তিনি।
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত দলিল লেখক সফিয়ার রহমান। তিনি জানিয়েছেন তার নাম ব্যবহার করা হচ্ছে মাত্র। তিনি সুনামের সাথে কাজ করে আসছেন। আর ওই জাল নকল তার সরবরাহ করা না। তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ছিলেন।
মন্তব্য করুন