
যশোরে স্বামী-স্ত্রীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে স্বামী ও তার প্রেমিকার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে এ মামলা করেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবা শারমীন অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার জন্য অভয়নগর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। আসামিরা হলেন, অভয়নগরের নওপাড়া স্টেশন বাজার এলাকার মেহেদী হাসান এবং তার প্রেমিকা খুলনার ফুলতলার গুগ্মীপাশা এলাকার মোহাম্মদ আলীর মেয়ে শামীমা আক্তার রূপা।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর আসামি মেহেদী হাসান গুয়াখোলা গ্রামে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর তিনি স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি করে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। এ ঘটনায় তার স্ত্রী যৌতুক নিরোধ আইনে আদালতে মামলা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আসামি রূপা নিজেকে মেহেদী হাসানের প্রেমিকা দাবি করে তার স্ত্রীকে ফোন করে মামলা তুলে নিতে হুমকি দেন।
মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ায় তারা স্বামী-স্ত্রীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এরপর রূপা ‘তারা’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে মেহেদী ও তার স্ত্রীর কিছু অন্তরঙ্গ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।
পরবর্তীতে রূপাকে ফোন করে ছবি মুছে ফেলার অনুরোধ করা হলে তিনি ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রূপা ওই ছবি ভুক্তভোগীর আত্মীয়স্বজনের কাছেও পাঠিয়ে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করেন।
পরবর্তীতে বিষয়টি মীমাংসায় ব্যর্থ হয়ে ভুক্তভোগী নারী আদালতে পর্নোগ্রাফি আইনে এ মামলা করেন।
মন্তব্য করুন