
যশোরে পাচার ও যৌন শোষণের ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের সুরক্ষায় সব ধরণের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক। বুধবার দুপুরে এক শেয়ারিং সভায় তিনি এই আশ্বাস প্রদান করেন।
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন যশোরে “এনহেন্সিং প্রটেকশন অফ চাইল্ড সেক্স ট্রাফিকিং সারভাইবার্স ইন বাংলাদেশ (জেটিআইপি) প্রকল্প এবং শিশু সুরক্ষা কমিটি (সিবিসিপিসি), কাউন্টার ট্রাফিকিং কমিটি (সিটিসি), এবং শিশু কল্যাণ বোর্ডের (সিডব্লিউবি) এর সাথে প্রকল্পের এই শেয়ারিং মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। মিটিং এর উদ্দেশ্য ছিল সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থা উভয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়া।
সরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে সমাজসেবা অধিদপ্তর যশোর এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তর যশোর কর্তৃক কি কি সেবা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে এবং সেগুলো পাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। ঢাকা আহসানিয়া মিশন যশোর ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিশেষ করে শিশু পাচার (সিএসটি) এবং বাণিজ্যিক যৌন শোষণের শিকার (সিএসইসি) ও ঝুঁকিতে থাকা শিশু এবং তাদের পরিবারকে যৌথ সমন্বয়ের মাধ্যমে কিভাবে সহায়তা দেওয়া যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সরকারি এবং বেসরকারি যৌথ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং আহ্ছানিয়া মিশনের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে উভয় পক্ষ থেকে জানানো হয়।
মিটিংয়ে উল্লেখিত তিনটি কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তর যশোরের উপ-পরিচালক হারুন অর রশিদ, নারী ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তর যশোরের উপ-পরিচালক অনিতা মল্লিক, সমাজসেবা অধিদপ্তর ঢাকার শিশু সুরক্ষা ইউনিটের সমাজসেবা কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন, যশোরের শহর সমাজ সেবা অফিসার সেলিম রেজা, যশোর পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার, দৈনিক গ্রামের কাগজের বার্তা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন, জেলা এনজিও সমন্বয়কারী শাহজাহান নান্নু প্রমুখ। ঢাকা আহছানিয়া মিশনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রধান কার্যালয় ঢাকার ডেপুটি ম্যানেজার নুসরাত জেরিন ও যশোর জেলায় কর্মরত কর্মকর্তাবৃন্দ।
মন্তব্য করুন