
যশোর শহরে সন্ধ্যা রাতে বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে। রাত সাড়ে আটটা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান চলে রাত এগারোটা পর্যন্ত। অভিযানকালে শহরের বিভিন্ন দোকানপাট পরিদর্শন করা হয় এবং সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে খোলা রাখা দোকানগুলোকে সতর্ক করা হয়। আগামীকাল থেকে সন্ধ্যা ছয়টার পর দোকান খোলা রাখলে কারাদণ্ড এমনকি অর্থদণ্ড প্রদানের কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালতে অংশ নেন তিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। সাথে ছিলো যশোর জেলা ডিবি পুলিশের একটি স্পেশাল টিম।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, অভিযানের শুরুতেই শহরের দড়াটানা, গাড়ি খানা ও চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি দোকান খোলা থাকায় সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়। পরবর্তীতে আদালত মাইকপট্টি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। সেখানে অসংখ্য দোকান খোলা থাকলেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে ব্যবসায়ীরা তাড়াহুড়ো করে দোকান বন্ধ করে দেন। এ সময় তাঁদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।
এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালতের টিমটি শহরের মনিহার এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন বাস কাউন্টার পরিদর্শন করে। একই সঙ্গে সন্ধ্যা নামার পর কাউন্টারগুলোতে এসি (এয়ার কন্ডিশনার) বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হয়। সবশেষে টিমটি নিউমার্কেট এলাকায় বিভিন্ন খাবারের দোকান পরিদর্শন করে এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে অপ্রয়োজনীয় লাইট বন্ধ রাখার অনুরোধ জানায়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে আরও জানা গেছে, রবিবার থেকে সন্ধ্যা ছয়টার পর থেকে তারা নিয়মিত মাঠে থাকবেন। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করলে কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড প্রদান করা হবে।
ভ্রাম্যমান আদালতে অংশ নেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামিউল আলম, মীম বিনতে মুস্তাফিজ ও মো: সালাউদ্দিন।
মন্তব্য করুন