
যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণবাটি মাদীয়া গ্রামে মুক্তেশ্বরী নদীর পাড় ঘেঁষে একাধিক সরকারি গাছ কাটা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়াও সাবেক কাউন্সিলর হাজী সুমনের জমির ১৪-১৫টি রেইনট্রি ও মেহগনি গাছও কেটে সাবাড় করেছে স্থানীয় একটি চক্র। অভিযোগ উঠেছে, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য টুনু সর্দার এর নেপথ্যে রয়েছেন। তারা প্রকাশ্যেই এসব গাছ কেটে অন্যত্র বিক্রি করছেন, যা নিয়ে এলাকায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এদিকে, এমন খবরে সোমবার সন্ধ্যায় কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
স্থানীয়রা জানায়, যশোর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হাজী সুমনের ওই গ্রামে একটি ফার্ম ও আমবাগান রয়েছে। যা বিএনপি নেতা টুনু সর্দারের ভাইয়ের কাছ থেকে কিনেছিলেন হাজী সুমন। ওই জমির গা ঘেঁষে বয়ে গেছে মুক্তেশ্বরী নদী। নদীর পাড়েও একাধিক গাছ রয়েছে, যা টুনু সর্দার কয়েকদিন ধরে কাটতে শুরু করেছেন। স্থানীয় বিএনপির একটি পক্ষ বিষয়টি নিয়ে টুনু সর্দারকে নিষেধ করলে তাদের মধ্যেও বিরোধ তৈরি হয়।
এ সময় টুনু সর্দারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব গাছ সবই আমার। সরকার কোনো গাছ লাগায়নি। আমার লাগানো গাছ আমি কেটে নিচ্ছি। এছাড়া হাজী সুমনের গাছের বিষয়ে তিনি বলেন, হাজী সুমনকে আমার কাছে আসতে বলেন। এসে গাছ নিয়ে যাক। এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মমিনুল হক বলেন, বিকেলে ৯৯৯-এ কলের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে সেখানে একটি পুলিশ টিম পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন