
যশোরের অভয়নগরে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান ইলেকট্রিক অ্যান্ড হার্ডওয়্যার, পোল্ট্রি, মুদি ও একটি ওষুধের দোকান পুড়ে গেছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) ভোরে উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের ভাটপাড়া বাজারের ৩টি দোকানে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঈদের একদিন আগে এই অগ্নিকাণ্ডে এই দোকান মালিকদের পথে বসার উপক্রম হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে হাফিজুর পোল্ট্রি ও মুদি দোকান থেকে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের মেসার্স হুজাইফা ইলেকট্রিক অ্যান্ড হার্ডওয়্যার ও শেখ ফার্মেসি নামে ওষুধের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে নওয়াপাড়া ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের দাবি, সব মিলিয়ে তাদের অন্তত ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত মেসার্স হুজাইফা ইলেকট্রিক অ্যান্ড হার্ডওয়ারের মালিক রাকিব হোসেন বলেন, প্রায় ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শেখ ফার্মেসির মালিক মোহাম্মদ সুজা বলেন, দোকানের অর্ধেকের বেশি ওষুধ পুড়ে গেছে। বাকি ওষুধ ফায়ার সার্ভিসের পানির কারণে কি হয়েছে তা পরে বলা সম্ভব হবে। প্রায় ২০ লাখ টাকার মত ক্ষতি হয়েছে। হাফিজুর পোল্ট্রি ও মুদি দোকানের মালিক হাফিজুর রহমান বলেন, ঈদ উপলক্ষে লাখ টাকার মুরগি ও তিন লাখ টাকার মত মুদি মালামাল কেনা হয়েছিল। সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এত ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে কিভাবে ঈদ উদযাপন করব।
বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ তৈয়েবুর রহমান বলেন, ‘সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তিনটি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। সরকার সংশ্লিষ্টমহলের নিকট ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।’
এ ব্যাপারে নওয়াপাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে ২টি ইউনিট কাজ শুরু করে। আধাঘন্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিক তদন্তে মনে হয়েছে পোল্ট্রি ও মুদি দোকানের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ৩টি দোকানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা। হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’
মন্তব্য করুন